এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > পাঁচ বছরেই গ্র্যাজুয়েট থেকে দ্বাদশ পাশে ফিরে গেলেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী

পাঁচ বছরেই গ্র্যাজুয়েট থেকে দ্বাদশ পাশে ফিরে গেলেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী

কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তাবিত তারিখের মাত্র কয়েক ঘ্ন্টা আগে খাদান কেলেঙ্কারীতে বিজেপির ভূমিকার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্যের হদিশ পাওয়া গেলো। এবার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা  ইয়েদুরাপ্পার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললো কংগ্রেস। এদিন কংগ্রেস দাবি করলো পাঁচ বছর আগে ইয়েদুরাপ্পা ভোটের হলফনামায় লিখেছিলেন, তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা কলা বিভাগে স্নাতক। তাঁর এই ডিগ্রী বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত। কিন্তু এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ইয়েদুরাপ্পা’ই  তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার স্থানে লিখলেন শিক্ষাগত যোগ্যাতার দিক থেকে মাত্র দ্বাদশ শ্রেণীর গন্ডি পেরিয়েছেন তিনি।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির দাবি নিজেদের পরাজয়ের সম্ভবনা নিশ্চিত জেনেই কংগ্রেস এখন সাধারণ মানুষের মনোসংযোগ অন্যদিকে নিয়ে যেতে চাইছে। গত লোকসভা নির্বাচনে  ইয়েদুরাপ্পা হলফনামায় নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানিয়েছিলেন, এবারেও সেই একই তথ্য বজায় রয়েছে। এদিকে কংগ্রেস নিজেদের প্রচারিত তথ্যের সত্যতা প্রমান করতে কমিশনের ওয়েবসাইটের কথা উল্লেখ করেছে যেখানে তাঁরা ইয়েদুরাপ্পা’র নির্বাচনী হলফনামায় পেশ করা শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্যের সন্ধান পেয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই কংগ্রেস এখন প্রশ্ন তুলেছে কেন বিজেপি নেতাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে এত ধোঁয়াশা তৈরী হয় ? উল্লেখ্য এর আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে জোড়ালো বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিলো। জানা গেছে শুধু প্রধানমন্ত্রী বলেই নয় তাঁর মন্ত্রী সভা থেকে শপথ গ্রহনকারী অনেক মন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক স্তরের গন্ডী পার হয়নি। মন্ত্রীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে  এইরকম তথ্য জালিয়াতির ঘটনা নিঃসন্দেহেই দেশের রাজনোইতিক ইতিহাস কে কালিমা লিপ্ত করে বলে বুদ্ধিজীবি মহলের একাংশ দাবি করছেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!