এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপিই, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের জন্য বিজেপি একেবারে প্রস্তুত : অমিত শাহ

বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপিই, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের জন্য বিজেপি একেবারে প্রস্তুত : অমিত শাহ

লোকসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই বাংলা যে তাদের এবার “পাখির চোখ” তা স্পষ্ট করছেন বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতারা। আর এবার নয়া দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিজেপির দু’দিনব্যাপী জাতীয় পরিষদের বৈঠকে উদ্বোধনী ভাষণে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেই কথাই আরও স্পষ্ট করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বুথ স্তরের রিপোর্ট পাওয়ার জন্য বিজেপির এই জাতীয় পরিষদের বৈঠক ডাকা হয়েছিল। যেখানে বাংলা থেকে মোট 628 জন প্রতিনিধি এবং সারা দেশ থেকে প্রায় 12 হাজার অংশগ্রহণকারী এখানে অংশ নিয়েছিল। আর সেই সভাতে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা নিয়ে বড়সড় মন্তব্য করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

এদিন তিনি বলেন, “2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে বাংলায় আমাদের দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ঠিক কতটা হয়েছে! বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপিই। পশ্চিমবঙ্গে আমরা সরকার গঠনের জন্য একেবারে প্রস্তুত।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি মুকুল রায়ের পর তৃণমূল সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের বিজেপিতে যোগদান গেরুয়া শিবিরে বাড়তি অক্সিজেন যুগিয়েছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এমনকি আরও অনেক শাসক দল তৃণমূলের সাংসদ, নেতা ও বিধায়কেরা বিজেপিতে যোগদান করবেন বলেও জল্পনা উসকে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বিজেপির শীর্ষস্তরের সেনাপতির মুখ থেকে এহেন মন্তব্যে শুরু হল চরম জল্পনা। এদিকে এদিন নিজেদের বক্তব্যে বাংলা নিয়ে মন্তব্য করেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।

এদিন তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় আরও বড় চমকের জন্য সকলকে অপেক্ষা করতে হবে।” এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “সৌমিত্র খাঁকে দিয়ে এই প্রবণতা শুরু হল। তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই শাসকদলের বেশকিছু হেভিওয়েট নেতা বিজেপিতে যোগ দেবেন।”

আর রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের মুখ থেকে এহেন মন্তব্য শুনে রাজ্য রাজনীতিতে ফের যে একটি অন্য সমীকরণ হতে চলেছে তা বেশ ভালোই উপলব্ধি করতে পারছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শুধু বাংলা নিয়ে মন্তব্যই নয়, লোকসভা নির্বাচনের আগে রাম মন্দির নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করতে না পারায় সম্প্রতি বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সেই ইস্যুতে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দেওয়া হয়েছে।

এদিন সেই প্রসঙ্গে কংগ্রেসকেই পাল্টা অভিযুক্তের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বলেন, “রাম মন্দির তৈরি করতে আমরা বাধ্য ছিলাম এবং আছি। আমরা নির্দিষ্ট জায়গাতেই রাম মন্দির তৈরি করতে চাইছি। কিন্তু কংগ্রেস আমাদের বাধা দিচ্ছে।” এদিকে বিরোধীদের নিরব মোদী, বিজয় মালিয়াকে নিয়ে এত কটাক্ষেরও জবাব দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

তিনি বলেন, “দেশের চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী কাউকে পালিয়ে যেতে দেবেন না। সময়মত সব চোরকেই ধরে আনা হবে।” পাশাপাশি এদিনের এই সভা থেকে বিজেপি বিরোধী মহাজোটকে নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। সব মিলিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে সারা দেশের পাশাপাশি বাংলা যে বিজেপির অন্যতম পাখির চোখ তা জাতীয় পরিষদের বৈঠকের উদ্বোধনী ভাষণেই স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!