এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > সম্পত্তির উৎস নিয়ে বিজেপির করা প্রশ্নে কড়া জবাব অনুব্রতর

সম্পত্তির উৎস নিয়ে বিজেপির করা প্রশ্নে কড়া জবাব অনুব্রতর

বিরোধীদের যোগ্য জবাব দিতে তুলনা নেই তাঁর কোনো। সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে যেদিন তিনি প্রবেশ করেছেন সেদিন থেকেই বিরোধীদের দাপট বুঝিয়েছেন দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী তৃণমূলের এই নেতা। বহুবার মন্তব্য বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। নেত্রী তাকে বারবার সাবধান করেছেন,ধমক দিয়েছেন স্নেহের ভাইকে,তবুও বদলাননি তাঁর নিজস্ব স্টাইল।

যতবার বিরোধীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন,রাজ্যরাজনীতির চর্চার কেন্দ্রে তাকেই পাওয়া গিয়েছে। তিনি আর কেউ নন,বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। এদিন বিজেপির আক্রমণের পাল্টা দিয়েই তিনি রাজনীতির অঙ্গনে শোরগোল ফেলে দিলেন।

গতকাল মল্লারপুরের জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে নাম না করেই অনুব্রত মন্ডলের সম্পত্তির উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বলেছিলেন, অনুব্রত বাবুই রাজ্যের যত চোরা কারবারির নেপথ্যে রয়েছেন। কোথায় কোন চোরাই কারবার হয়,তার সব হদিন তৃণমূল নেতার জানা। সে প্রশ্নের যোগ্য জবাব দিতে গিয়ে ফ্রন্টফুটে খেললেন অনুব্রত মন্ডল। স্পষ্ট কথা জানালেন,তিনি ভিখারী বাড়ির ছেলে নন,বাড়িতে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে কালী পুজো,দুর্গা পুজো হয়।

গতকালই তৃণমূলের সভা ছিল মুরারইয়ের পলশার কারবালার মাঠে। সেই সভা থেকেই বিজেপিকে পাল্টা দিতে গিয়ে ‘পাচনের বারি’তে সোজা করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন অনুব্রত বাবু। তবে এটাও জানিয়ে দেন,’পাচন চালালেও কোথাও কোনো অশান্তি হবে না। ঝামেলা হবে না। শান্তিপূর্ণ ভাবে জেলায় থাকতে হবে। আর একদিন। ১৯ নভেম্বর পেরোলেই শুরু হয়ে যাবে পাচনের খেলা। উর্বর জমিতে, চাষহীন জমিতে পাচনের বারিতে চাষ করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের বৃহত্তর বিগ্রেড সমাবেশ রয়েছে৷ সব বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে এক ছাতার তলায় আনার জন্যেই তৃণমূল সুপ্রিমো এই সমাবেশের ডাক দিয়েছেন। কাজেই তার প্রস্তুতি নিয়েই এখন চূড়ান্ত ব্যস্ত এখন শাসকদল। তাই বিজেপিকে কী করে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়,তার খেলা শুরু হবে ১৯ জানুয়ারির পরেই। এদিন সেটাই ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

শুধু রাজ্য বিজেপিকে পাল্টা দিয়ে ক্ষান্ত হননি তিনি। প্রসঙ্গে শালীনতার সীমা পেরিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীকেও ‘অপদার্থ’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। বললেন,নরেন্দ্র মোদী দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনেই বিজেপিকে তার অবস্থান বুঝিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্র থেকে উৎখাত হবে বিজেপি সরকার। এই সূত্রে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসাও করে ফেললেন তিনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বললেন,বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্য উত্তরাধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নেত্রীকে তাঁর যোগ্য অবস্থানে পৌছে দিতে বীরভূমের দুটি লোকসভা আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের বিপুল ভেটে জয়লাভ করানোর বার্তা দিলেন তিনি দলীয় কর্মীদের। তৃণমূল-বিজেপির এই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের জেরে রাজ্যরাজনীতিতে ফের উত্তাপ বাড়ল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!