এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > গেরুয়া শিবিরের উত্তর-পূর্ব ভারত বিজয়ের স্বপ্নে জল ঢেলে দিল এই একটিমাত্র ঘটনা? জানুন বিস্তারিত

গেরুয়া শিবিরের উত্তর-পূর্ব ভারত বিজয়ের স্বপ্নে জল ঢেলে দিল এই একটিমাত্র ঘটনা? জানুন বিস্তারিত

অবশেষে কি লোকসভা ভোটের আগে নিজেদের সিদ্ধান্তেই মুখ পুড়তে চলেছে কেন্দ্রের মোদি সরকারের? লোকসভায় সম্প্রতি অসম এবং ত্রিপুরার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

যে দুই রাজ্যের কোথাও গাড়ি, আবার কোথাও বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির সর্বানন্দ সোনোয়ালের কুশপুতুল পোড়ানো, বিক্ষিপ্ত ঘটনাতে উত্তপ্ত হয়েছে অসম এবং ত্রিপুরা। আর লোকসভা ভোটের আগে খোদ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর উত্তর পূর্ব ভারতের 25 টি আসন পাওয়া কার্যত শিকেয় ওঠার জোগাড় বলে মনে করছে অনেকে।

একাংশের মতে, হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই অসম সফর গোটা রাজ্যকে অশান্ত করে তুলেছে। যা নিয়ে বাঙালিরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন সেখানে। এদিকে এই নাগরিকপঞ্জি নিয়ে একাংশের বিদ্রোহে ত্রিপুরা এবং অসমের পুলিশ প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ এবং বিক্ষোভের জেরে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রবল তোপ দেগেছেন ত্রিপুরার এসটিএফ নেতা অ্যান্টনি দেববর্মা।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এদিন তিনি বলেন, “পুলিশ বিনা প্ররোচণায় গুলি চালিয়েছে।” তবে পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য সেই সমস্ত অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে। অন্যদিকে এদিন উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ছাত্র সংগঠন সহ 30 টি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। যে ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়েছিল কংগ্রেস সহ প্রায় সমস্ত অবিজেপি দলগুলিই।

এদিন এই প্রসঙ্গে কেএমএমএস প্রধান অখিল গগৈ বলেন, “আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসার কোনো প্রশ্নই নেই। কোন অবস্থাতেই এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আমরা মানবো না।” এদিকে এই নাগরিকত্ব বিল প্রত্যাহার না হলে শান্তি প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটবে বলে জানিয়ে দিলেন আলফার চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়া।

আর এই জায়গাতেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উত্তর পূর্বাঞ্চল থেকে কদিন আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দাবি করেছিলেন যে এখানকার 25 টি আসনের মধ্যে 21 টি আসন পাবেন তাঁরা। কিন্তু এই বিক্ষোভের পরে তাঁরা ঠিক কতটা নিজেদের পালে হাওয়া তুলতে পারবেন তা নিয়ে একটা ধন্দ থেকেই যাচ্ছে।

কেননা অসমের 25 টি আসনের মধ্যে 14 টি আসন বিজেপির থাকলেও এই নাগরিক পঞ্জী আইন গেরুয়া শিবিরের অনেকটাই ভাবনার কারন হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে এবার লোকসভা ভোটের আগে উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে প্রবল চিন্তায় বিজেপি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!