এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিজেপিতে যোগ দিয়েই দাপুটে তৃনমূল নেতা খুনে নাম জড়ালো সিপিএম কর্মীদের

বিজেপিতে যোগ দিয়েই দাপুটে তৃনমূল নেতা খুনে নাম জড়ালো সিপিএম কর্মীদের

সম্প্রতি হাওড়ার বাগনানের হাটুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃনমূল নেতা মহসিন খান খুনে প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এবার 24 ঘন্টা যেতে না যেতেই সেই খুনের কিনারা করল পুলিশ।ইতিমধ্যেই পুলিশ বেশ কিছু জায়গায় অভিযান করে 6 অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করেছে।ধৃতরা হল বাগনানের নওপাড়ার সিরাজুল মিদ্দা ও সইফুল মিদ্দা।এছাড়াও রয়েছে বিহারের পাটনার সুরেশ প্রসাদ,পূর্ব মেদিনীপুরের চন্ডীপুরের শিবশঙ্কর ঘোড়ুই ,আমতা নওপাড়ার শান্তি পাত্র এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার নারায়ন কুন্ডু। পুলিশ সূত্রে খবর,ধৃতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই খুনের মামলা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।তবে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত আসফার মিদ্দা সহ কয়েকজন এখনও অধরা।সূত্রে খবর,তারা প্রত্যেকেই এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। বুধবার পুলিশের হাতে আটক দোষীদের হাওড়ার উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হয় ।সেখানে বিচারক চার অভিযুক্তকে পাচ দিনের পুলিশি হেফাজত ও দুইজনকে 14 দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিনের বক্তব্য,ধৃতদের জেরা করে কি কারনে খুন করা হল মহসিন কে ও এই খুনের পেছনে আরও কারা যুক্ত আছে থা অনুসন্ধান করা হবে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন,গত সোমবার রাতে বাড়ির সামনেই গুলি করে খুন করা হয় তৃনমূল নেতা মহসিন খানকে।পরদিনই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।জানা গেছে,ধৃত সিরাজূল মিদ্দা,সইফুল মিদ্দা,শিবশঙ্কর শান্তি ও নারায়ন স্থানীয় এক কারখানার নিরাপত্তা বিভাগের কর্মী হিসাবে কাজ করতেন।তবে বিহারের বাসিন্দা সুরেশ প্রসাদের পরিচয় নিয়ে এখনও সন্দেহ রয়েছে পুলিশের। সূত্রে খবর,ধৃতদের প্রত্যেকেরই দাবি,তাদের মিথ্যে মামলায় ফাসানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি,ধৃতরা প্রত্যেকেই বিজেপি কর্মী বলে পরিচিত।গত পঞ্চায়েত ভোটে তারা সিপিএম থেকে বিজেপিতে যোগদান করেন। তৃনমূল সূত্রে খবর,পঞ্চায়েত ভোটে তাদের দলের নিহত কর্মী মহসিন খানের স্ত্রী এলাকায় তৃনমৃলের প্রার্থী হয়ে জিতলেও এই বিজেপির কর্মীরা এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করবার চেষ্টা করে।

পুলিশের ধারনা,এলাকায় নিজেদের প্রভাব প্রতিপত্তি বজায় রাখতেই এই বিজেপির কর্মীরা গুলি করে খুন করে তৃনমূল কর্মী মহসিন খানকে। এ প্রসঙ্গে তৃনমূলের জেলা সভাপতি(গ্রামীন)পুলক রায় বলেন,”এলাকায় ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করতেই আমাদের এই জনপ্রিয় নেতাকে খুন করা হয়েছে।বিজেপিল এই খুনের রাজনীতি মানুষ মেনে নেবে না।” অপরদিকে বিজেপির হাওড়া জেলা সভাপতি অনুপম মল্লিক এই ঘটনায় নিজেদের গা থেকে সম্পূর্ন অভিযোগ ঝেড়ে ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য;”পুলিশ ও তৃনমূল যৌথভাবে পরিকল্পনা করে আমাদের কর্মীদের নামে মিথ্যে মামলা করছে।আমাদের মিথ্যেই এভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে।” স্থানীয় সূত্রে খবর,এই রাজনৈতিক দোষারোপের পালা চলবেই।তবে হারানো সন্তান মহসিনের খুনের বিচার চায় তাঁরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!