এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিজেপিকে ভোটে সমর্থন প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষকে চড়

বিজেপিকে ভোটে সমর্থন প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষকে চড়

বিজেপিকে ভোটে সমর্থন করার জন্যে প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের সন্ত্রাসে নাকি এলাকাবাসী প্রতিবাদও করতে পারছে না। এছাড়া বিজেপি করার জন্যে এলাকাবাসীর থেকে নেওয়া হচ্ছে ২ থেকে ৫ লাখ টাকার জরিমানা। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুরদুয়ার শাখার গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতি।“বিভিন্ন কায়দায় গোটা এলাকাজুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। কাউকে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে, কাউকে আবার দোকান খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনও পরিবারকে আবার বাড়িতেই বন্দী করে রাখা হচ্ছে। সবথেকে আশ্চর্যের ব্যাপার, BJP-কে ভোট দেওয়ার জন্য প্রকাশ্যে দুটো করে চড় মারা হচ্ছে। এলাকার মানুষজন ভয়ে মুখ বন্ধ করে আছে। এমন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমরা পুলিশ সুপারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলেছি।”এমনটাই জানিয়েছেন গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির কার্যকরী সভাপতি প্রদীপ ঘোষ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

আরো জানা যাচ্ছে, ডাবরি গ্রাম পঞ্চায়েতে ১১/২৪৯,২৫০ নং বুথে পদ্মফুল ফুটলে সহ্য হয়নি শাসকদলের। এরপর থেকে সন্ত্রস্ত করে তোলে এলাকাবাসীকে। এক বিজেপি সমর্থকের খুনও করেছিলো তৃণমূলের দুষ্কৃতি। এমনটাই অভিযোগে জানা যায়। একই ঘটনা ঘটেছে কুমারগ্রামেও। ওখানেও একইভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য প্রদীপ বড়াই এর নেতৃত্বে। এই সন্ত্রাসের জেরে নাকি জনা ছয়েক গুরুতর জখমও হয়েছেন। এর প্রতিবাদ করতেই ওই এলাকার নিউল্যান্ডস চা বাগানের শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায়। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় নামানো হয় RAF। ওই এলাকার BJP নেতা লুইস কুজুর অভিযোগে জানান যে পুলিশ এর মদতপুষ্ট হয়েই তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ওই স্থান থেকে সরেছে। এবং তাকে  ইচ্ছা করেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল নিউল্যান্ডস চা বাগানে শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মোহন শর্মা বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে প্রচারের আলোয় আসতে চাইছে BJP। কেউ কোথাও অন্যায় কাজ করলে, পুলিশ তার ব্যবস্থা নেবে। কোনও ধরনের সন্ত্রাসের সঙ্গে তৃণমূল যুক্ত নয়।” আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার রবীন্দ্রনাথ আভারু আবার জানিয়েছেন যে, “আমার কাছে মাঝের ডাবরির ঘটনায় এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। একটি সংগঠন আমার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা করেছে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কুমারগ্রামে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

Top
error: Content is protected !!