এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য >  রাজ্যের প্রধান বিরোধী হিসাবে বিজেপির উত্থানকে আটকাতে বিশেষ পরিকল্পনায় বামফ্রন্ট

 রাজ্যের প্রধান বিরোধী হিসাবে বিজেপির উত্থানকে আটকাতে বিশেষ পরিকল্পনায় বামফ্রন্ট

2011 সালে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পরই পতাকা এবং ভবন থাকলেও বামপন্থী নেতাদের আর তেমনভাবে রাজপথে নামতে দেখা যায়নি। একের পর এক নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিক তেমনি একদা 2011 সালের পর রাজ্যে বিরোধী দল হিসেবে থাকা বামফ্রন্ট চলে গিয়েছে একদম পেছনের সারিতে। আর দ্বিতীয় স্থানে দখল করেছে বিজেপি। তাই এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল এবং কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে টেক্কা দিতে ময়দানে নামছে বামেদের গণ সংগঠনগুলি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রে বামপন্থী কৃষকসভা সংগঠনের ব্যানারে প্রায় 50 হাজার কৃষক টানা দশদিন ধরে দেড়শ কিলোমিটার পথ হেঁটে একটি লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। আর যে ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল জাতীয় রাজনীতি।

ঠিক হয়েছে, আগামী নভেম্বর মাসের শেষ দিকে লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উপর চাপ বাড়াতে চারটি পদযাত্রা নিয়ে দিল্লি অভিযানে নামতে চলেছে এই কৃষকসভা। কিন্তু রাজ্যগুলিতে যদি এই সংগঠনের ভিত শক্তিশালী না থাকে এবং তারা যদি বিক্ষোভ প্রদর্শন না করে তাহলে কি করে হবে কেন্দ্রীভূত অনুষ্ঠান?

আর তাই এবারে বাংলায় সিপিএমের কৃষকসভার রাজ্য নেতৃত্ব একটি লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে। জানা গেছে, নভেম্বরের শেষদিক থেকে শুরু করে একদম ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত মোট তিন দফায় রাজ্যে তিনটি পৃথক পদযাত্রা করবে তারা। যেখানে 28 শে নভেম্বর এ একদা বিতর্কিত রাজ্যের বাম বিদায়ের সব থেকে বড় অঞ্চল এবং কারণ সিঙ্গুর থেকেই পদযাত্রা শুরু করতে চায় সিপিএমের কৃষকসভার সংগঠন।

পরবর্তীতে ডিসেম্বরে নদীয়ার পলাশী শিল্পতালুক থেকে দ্বিতীয় পদযাত্রা এবং শেষ পদযাত্রা হবে উত্তরবঙ্গ থেকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্য বামফ্রন্টের কি সব সভা সংগঠনের পদযাত্রা যে সময় অনুষ্ঠিত হবে ঠিক সেই সময়ই রাজ্যের 3 প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসবে গেরুয়া শিবিরের রথ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের রাজনৈতিক প্রভাবে প্রথম স্থানে তৃণমূল থাকলেও দ্বিতীয় লড়াইয়ে একদিকে বিজেপি এবং অপরদিকে বামফ্রন্ট! শেষ পর্যন্ত কার মুখে হাসি ফোটে সে দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!