এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > শাসকদলের ‘তৎপরতায়’ পঞ্চায়েতের হাওয়া উড়ে যাওয়ার মুখে গেরুয়া শিবিরের

শাসকদলের ‘তৎপরতায়’ পঞ্চায়েতের হাওয়া উড়ে যাওয়ার মুখে গেরুয়া শিবিরের

পঞ্চায়েতে তো জয় এসেছে। কিন্তু জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে আদৌ বোর্ড গঠন করা সম্ভব হবে তো? এমনই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে বিজেপির অন্দরমহলে। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েতে জেতা বিজেপির জয়ী সদস্যরৃ নাম লেখাতে শুরু করেছেন তৃনমূলে। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। দলবদলের জল্পনা বাড়িয়ে সোমবার তৃনমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপির জয়ীরা বড় সংখ্যায় তৃনমূলে আসতে চাইছেন। এখানে তৃনমূলের কোনোও ভূমিকা নেই।” তৃনমূল সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফরের আগেই বিজেপির সদস্যরা তৃনমূলে যোগ দিয়ে মোহভঙ্গ করবে গেরুয়া শিবিরের। আর ইতিমধ্যে সেই কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সূত্রের খবর, মঙ্গলবারই মুর্শিদাবাদের ভরতপুর, তালগ্রাম ও আমলাই পঞ্চায়েতের সিপিএম,বিজেপি,কংগ্রেস, আরএসপি থেকে আটজন সদস্য যোগ দিয়েছে তৃনমূল কংগ্রেসে। এদিকে এই জেলারই সাঁকরাইল, গোপীবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ট থাকলেও আদৌ তাঁরা বোর্ড গঠন করতে পারবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। আর সেই সংশয় বৃদ্ধি করে তৃনমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের কিছু নেতার কাজকর্মে ক্ষোভ ও এলাকাগত কারনে অনেকে বিজেপির প্রার্থী হলেও তাঁরা তৃনমূলের বিরোধী নয়। তাই এখন অনেকেই তৃনমূলে ফিরে আসতে চাইছেন।” এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কথার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “হয় ক্যাশ না হয় কেশ। এইভাবেই নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখছে তৃনমূল। কিন্তু লোকসভার পর এই রাজ্যের সমীকরনই পাল্টে যাবে। তখন সুদ সহ সব ফেরৎ আসবে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, কোনটা সুদ আর কোনটা আসল সেটা সময়ই বলবে। তবে এখন বঙ্গ রাজনীতিতে বিজেপির নরেন্দ্র মোদীর সফরের আগে গেরুয়া শিবিরের জয়ী সদস্যদের নিজেদের দলে টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই যে সুরক্ষিত বাংলা তা ফের প্রমান করতে চাইছেন তৃনমূল নেতারা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!