এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপি কি ভয় পেয়ে গিয়েছে?‌ বিজেপি কি মরিয়া হয়ে উঠেছে?‌ প্রশ্ন তুললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপি কি ভয় পেয়ে গিয়েছে?‌ বিজেপি কি মরিয়া হয়ে উঠেছে?‌ প্রশ্ন তুললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Priyo Bandhu Media

এগিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন – আর বাংলায় সেই নির্বাচনে যে লড়াইটা বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস বনাম বিজেপি, তা এতদিনে স্পষ্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য শীর্ষনেতারা যতই দাবি করুন, বাংলায় কোথাও বিজেপি নেই – আগামী ১০০ বছরেও বাংলায় বিজেপি কিচ্ছু করতে পারবে না – কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিটি পদক্ষেপেই স্পষ্ট বাংলায় বিজেপির উপর মানুষের আস্থা বাড়ছে। আর তাই প্রতিটি সভা থেকেই নিয়ম করে তৃণমূলের আক্রমনের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন বিজেপিই – বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের।

এমনকি, সম্প্রতি কলকাতায় ২৩ দলের ২৬ জন শীর্ষনেতাকে সঙ্গে নিয়ে যে মহা জনসমাবেশের আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস সেখানেও আক্রমণের এক ও একমাত্র লক্ষ্য ছিল বিজেপিই। অন্যদিকে, লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই চিটফান্ড কাণ্ডের তদন্তে সক্রিয় হয়ে উঠছে সিবিআই।

এতদিন জল্পনা ছিল যে রাজ্যের বিভিন্ন যে চিটফান্ডগুলির রমরমা সেখানে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ একাধিক প্রভাবশালী জড়িত। যদিও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এইসব চিটফান্ডগুলির জন্ম বাম আমলে – তাই এর সব দায় বামেদেরই।

কিন্তু, তদন্ড জট এগোচ্ছে ততই দেখা যাচ্ছে এতে নাম সামনে আসছে শাসকদলের নেতা, সাংসদ ও মন্ত্রীদের। ইতিমধ্যেই চিটফান্ডকাণ্ডে জেল খেটেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ তাপস পাল ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিগত কয়েকদিনে গ্রেপ্তার হয়েছেন কলকাতার এক নামী সংবাদপত্রের চিফ এডিটর সুমন চট্টোপাধ্যায় ও প্রখ্যাত ব্যবসায়ী তথা প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস এর পরিপ্রেক্ষিতে – সিবিআইকে বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলকভাবে ব্যবহারের চক্রান্ত খুঁজে পাচ্ছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। বিজেপি ও তার জোটসঙ্গী বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা কলকাতা থেকে দিল্লি এবং তার বাইরেও সব জায়গায় বিরোধী দলগুলিকে হয়রান করে চলেছে। অখিলেশ যাদব, বহন মায়াবতীজি, কাউকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। মাথাহীন এজেন্সি এখন মেরুদণ্ডহীন বিজেপি-‌তে পরিণত হয়েছে। বিজেপি কি ভয় পেয়ে গিয়েছে?‌ বিজেপি কি মরিয়া হয়ে উঠেছে?‌ ‘রাজনীতিতে লক্ষ্মণরেখা বলে একটা ব্যাপার থাকে। কেন্দ্রীয় সরকার কিচ্ছু মানছে না। লালুজিকে জেলে পাঠিয়েছে। অখিলেশকে ধরে টানছে, মায়াবতীজিকে ধরে টানছে, এমনকী আমাকেও বাদ দিচ্ছে না!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!