এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপির সঙ্গে কি দূরত্ব বাড়ছে এই হেভিওয়েট নেতার?

বিজেপির সঙ্গে কি দূরত্ব বাড়ছে এই হেভিওয়েট নেতার?

বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এলেন সুলতানপুর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক বরুণ গান্ধী ।বুধবার হরিয়ানার ভিওয়ানিতে মডেল উইমেন্স কলেজর এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আবারো বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন এই বিজেপি বিধায়ক। এদিন তিনি বলেন,”যে কোনও প্রতিষ্ঠানেই কর্মীদের বেতন বাড়ে। এই বেতন বৃদ্ধির মাপকাঠি হলো কর্মীদের দক্ষতা ও সততা। কিন্তু বিগত ১০ বছরে হাত তুলে শুধুমাত্র নিজেদেরই বেতনই বাড়িয়েছেন সাংসদরা। ১০ বছরে সাতবার সাংসদের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে। আমি বহুবার বিরোধিতা করেছি কিন্তু কেউ আমার কথা শোনেনি।আমি প্রতিটা সাংসদদের বিস্তারিত সম্পত্তির বিবরণ শুনতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমাকে তো জানানো হয়নি।উল্টে বেতন বৃদ্ধির বিরোধীতা করায় আমাকে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে গেলে, আমাকে প্রশ্ন করা হয় কেন আমি সরকারের সমস্যা বাড়াচ্ছি? বরুণের এই মন্তব্য যে বিজেপিকে সমস্যায় ফেলবে সে কথা নিশ্চিত করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই মন্তব্যের কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গে বরুন উত্তরপ্রদেশের একটি স্কুলের উদাহরণ তুলে ধরে সমগ্র দেশের শিক্ষামানচিত্র টা বোঝানোর চেষ্টা করেন। বলেন,”উত্তরপ্রদেশের ওই স্কুলে একমাত্র লেখাপড়া ছাড়া সবই হয়। ওই স্কুলে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান হয়। বিবাহের অনুষ্ঠান হয়। কেউ মারা গেলে তার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হয়। শিশুরা সেখানে ক্রিকেট খেলে ।এমনকি নেতারা ভাষণও দেন। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে 3 লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ করে যার ৮৯ শতাংশ খরচ হয় স্কুলের বাড়ি ঘর তৈরি পেছনে। স্কুলবাড়ি তৈরিকে কখনোই শিক্ষা বলা যায় না।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কৃষকদের সমস্যা নিয়েও এদিন মুখ খোলেন বরুণ। কৃষি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”এদেশের প্রায় ৪০% কৃষকই ইজারা নিয়ে জমি চাষ করেন। যে সম্পূর্ণভাবে অবৈধ।কারণ তারা এর জন্য সরকারের কাছ থেকে কোনো রকম সাহায্য পাননা। এই সমস্ত কৃষকরা কৃষি ঋণ পাননা ফসল নষ্ট হলে কোন রকম ক্ষতিপূরণও পাননা। গত দশ বছরে চাষের খরচ বাড়লেও সেভাবে বাড়েনি। যার ফলে ঋণগ্রস্থ কৃষকরা একপ্রকার বাধ্য হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। এ পর্যন্ত শুধুমাত্র বিদর্ভেই১৭ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।”তার এই বক্তব্য স্পষ্ট প্রমাণ করে যে তিনি তাঁর দল তথা সরকারের উপর রীতিমতো ক্ষুব্ধ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!