এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কাশ্মীরে নিজেদের সংগঠন শক্তির কাজ শুরু বিজেপির

কাশ্মীরে নিজেদের সংগঠন শক্তির কাজ শুরু বিজেপির

দীর্ঘ 70 বছর পর কাশ্মীরের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেন্দ্রীয় শাসন ক্ষমতায় বসা কোনো রাজনৈতিক দল‌। সিদ্ধান্ত আগেও হয়েছিল, কিন্তু তা ছিল বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি বা স্পেশাল প্যাকেজের মাধ্যমে উপত্যাকাবাসীর মন জয় করা। কিন্তু দীর্ঘদিনের সন্ত্রাস সন্ত্রাস দমনে সৈন্য, মৃত্যু, বোম বিস্ফোরণ ভয়ে ভয়ে জীবন যাপন ছাড়া ভূস্বর্গবাসীর কপালে বিশেষ কিছু জোটেনি। এবার সংবিধানের আর্টিকেল 370 অবলুপ্ত করে কাশ্মীর থেকে শুরু করে রামেশ্বরম, গোটা ভারতবর্ষকে এক সংবিধানের আওতায় আবদ্ধ করেছেন নরেন্দ্র মোদি সরকার।

আর যুগান্তকারী এই পদক্ষেপকে সামনে রেখে জম্মু কাশ্মীরের নির্বাচনে আসরে নামতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এখন জম্মু কাশ্মীর একটি কেন্দ্রশাসিত রাজ্য লাদাখ তার থেকে আলাদা হয়ে গেছে। লাদাখ এখন নিজেও একটি কেন্দ্রশাসিত আলাদা রাজ্য। আর এই পরিবর্তিত জম্মু-কাশ্মীরে খুব তাড়াতাড়ি হতে চলেছে স্থানীয় বিধানসভা নির্বাচন। কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করার পরই সংগঠন শক্তিশালী করতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

সাংগঠনিক রূপরেখা স্থির করতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসতে চলেছে কাশ্মীরের বিজেপি নেতারা। দলের রাজ্য সাংগঠনিক নির্বাচনী ইনচার্জ এস ভরিন্দরজিৎ সিং জানিয়েছেন, মন্ত্রী থেকে রাজ্য কমিটির দপ্তরের কর্মীরাও থাকবেন এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। তবে সেই বৈঠকে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের বিজেপির প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধায়ক, জেলা সভাপতি এবং সাংসদরাও থাকবেন বলে খবর।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এই বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন কাশ্মীর বিজেপি প্রধান রবীন্দ্র রায়না। আগামীতে চার মাস ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে যা বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হবে। এই বৈঠকে থাকতে চলেছে বুথ সভাপতি শুরু করে রাজ্য সভাপতির সবটাই নির্বাচন প্রক্রিয়ায়। উল্লেখ্য, ধারা 370 অবলুপ্তির পরে কাশ্মীর উপত্যকায় এই প্রথম কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ড হতে চলেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাশ্মীরের সব রাজনৈতিক নেতারা গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তবুও উপত্যকায় সাধারণ ভোটের আগে নিজেদের সংগঠনকে মজবুত এবং শক্তিশালী করে ধরে রাখতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

জম্বু কাশ্মীর রাজ্যে মোট 10 হাজার 600 বুথ, 230 টি মন্ডল এবং 29 টি জেলা রয়েছে। সবখানেই নিজেদের সংগঠনকে ঢেলে সাজিয়ে চাঙ্গা করতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি। যদিও নির্বাচনের আগে বিধি মেনে ডিলিমিটেশনের মাধ্যমে বিধানসভা ক্ষেত্র বৃদ্ধি, জেলা বৃদ্ধির মত পদক্ষেপও গ্রহণ করা হতে পারে। কিন্তু 370 অবলুপ্তির পরে প্রথম রাজনৈতিক কোনো সভা করে নিজেদের অস্তিত্ব এবং সাংগঠনিক প্রভাবকে ভূস্বর্গে অনেকটাই বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!