এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজ্যে বিজেপির কোনো হাওয়া নেই, বিজেপির কাছে মানুষ আশ্রয় নিয়েছে মাত্র – জানিয়ে দিলেন হেভিওয়েট নেতা

রাজ্যে বিজেপির কোনো হাওয়া নেই, বিজেপির কাছে মানুষ আশ্রয় নিয়েছে মাত্র – জানিয়ে দিলেন হেভিওয়েট নেতা

সাম্প্রতিক কালে রাজ্যে যতগুলি নির্বাচন হয়েছে তার প্রায় সব কটিতেই মূল লড়াই হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে। আর এতে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্যে খাতায়-কলমে বিরোধী দলের আসনে কংগ্রেস থাকলেও কেন একের পর এক নির্বাচনে তাদের এইভাবে হার মেনে নিতে হচ্ছে! কেন দিনকে দিন তাদের জায়গা দখল করে কার্যত রাজ্যের বিরোধী দলের আসন দখল করছে বিজেপি?

এইরকম নানা জল্পনা-কল্পনা রাজনৈতিক মহলে চললেও এদিন মালদহে এসে এই ব্যাপারে নিজেদের মত স্পষ্ট করলেন রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র। সূত্রের খবর, এদিন রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীর সভার জন্য সামসি কলেজের মাঠ পরিদর্শন করতে আসেন। আর সেখানেই এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্লাটফর্ম খুঁজছে মানুষ। বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে জোট হলে বিজেপির অর্ধেক ভোট সরে যেত। উপযুক্ত প্লাটফর্ম না পাওয়াতেই মানুষ বিজেপির কাছে যাচ্ছে।”

কিন্তু তাহলে বিধান ভবন ও আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতারা নিজেদের মধ্যে জোট করছেন না কেন? নিজেদের মধ্যে জোট করলেই তো তাহলে তারা বিজেপিকে আটকাতে পারবেন! প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী দল বিজেপিকে ঠেকাতে বাম এবং কংগ্রেসের তরফে হাতে হাত ধরে লড়ার কথা বলা হলেও বর্তমানে রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ লোকসভা আসনটিতে তারা দুই দলই প্রার্থী দেবে বলে মন্তব্য করায় এখন সেই বাম এবং কংগ্রেসের জোট নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র হতাশা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

 

এদিন এই প্রসঙ্গে ক্ষুব্ধ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, “নির্বাচনের আগেই বলে দিতে পারি ওরা এভাবে করলে একটা আসনও জিতবে না। এটাই যদি ওদের আচরণ হয় তাহলে ধরেই নিতে হবে যে ওরা সমঝোতা চাইছে না। দরকার হলে আমরা একাই লড়ব।”

অন্যদিকে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান বাম সাংসদ মহম্মদ সেলিম সম্প্রতি জী 24 ঘন্টা ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাকে আটকানোর জন্য সমস্ত শেয়ালরা একজোট হতে চাইছে। এদিন সেলিমের এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “মহম্মদ সেলিম কি নিজেকে লেলিন ভাবছেন! উনি আগে রায়গঞ্জের মানুষকে গিয়ে বোঝান। ওখানকার লোকেরাই তো ওনার কথা শুনছে না! সংসদে গিয়ে তিনি বিরাট বিপ্লব ঘটিয়েছেন।”

অন্যদিকে সম্প্রতি কংগ্রেসের সাংসদ মৌসম বেনজির নূর তৃণমূলের যোগদান করলে এদিন সেই প্রসঙ্গে সোমেন মিত্র বলেন, “মালদায় সবটাই বরকত গনি খান চৌধুরীর নামে চলে। তাই এখানে ওর দলবদল কোনো প্রভাব ফেলবে না।” সব মিলিয়ে এবার একদিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ, আবার অন্যদিকে নাম না করে রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে জেদ ধরায় ও জোটের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হওয়ায় বামেদের কটাক্ষ করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রকৃত প্লাটফর্ম না পাওয়াতেই বিজেপির ভোটব্যাংক বাড়ছে বলে মন্তব্য করলেন রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!