এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দক্ষিণ ভারত নিয়ে বড়সড় চমক থাকতে পারে কংগ্রেসের, বিজেপি পেতে পারে বড় ধাক্কা – বলছে সমীক্ষা

দক্ষিণ ভারত নিয়ে বড়সড় চমক থাকতে পারে কংগ্রেসের, বিজেপি পেতে পারে বড় ধাক্কা – বলছে সমীক্ষা

লোকসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বিভিন্ন সংস্থার তরফে কে কেন্দ্রের মসনদ দখল করবে তা নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের সমীক্ষা। একদিকে কেন্দ্রের বর্তমান বিজেপি সরকার তথা এনডিএ জোট অন্যদিকে কংগ্রেস তথা বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতৃত্বে বিরোধী মহাজোট – কে শেষ হাসি হাসবে তা নিয়ে এবার কিছুটা হলেও আভাস দিল এবিপির সমীক্ষা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত 2014 সালের লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের বর্তমান মোদি সরকার সমস্ত জায়গায় ভালো ফল করলেও দক্ষিণ ভারতে তাঁরা তেমন ভাবে দাগ ফোটাতে পারেনি। আর এবারেও 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনেও সেই দক্ষিণ ভারতে যে তেমনভাবে কোনৈরূপ আশানুরূপ ফল পাবে না বিজেপি সেই রকমই ইঙ্গিত দিল এবিপির এই সমীক্ষা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা যায়, এই দক্ষিণ ভারতের মধ্যে রয়েছে মূলত পাঁচটি রাজ্য। যেগুলি হল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং কেরল। আর এই 5 টি রাজ্য মিলিয়ে দক্ষিণ ভারতের মোট লোকসভা আসনের সংখ্যা 129 টি। এবিপির সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে, এর মধ্যে বিজেপি মোট 14 টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট 69 টি এবং অকংগ্রেসী এবং অবিজেপি দলগুলি মিলে 46 টি আসন পেতে পারে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তামিলনাডু, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল এবং তেলেঙ্গানায় বেশ কিছু আঞ্চলিক দল রয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই বিজেপি বিরোধী দল হিসেবেই পরিচিত। ফলে সেই বিরোধী মহাজোটে থাকা দলগুলি যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখান থেকে কিছু আসন নিজেদের ঝুলিতে পুড়তে পারে তাহলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যে দক্ষিণ ভারত বিজেপির কাছে প্রবল চাপের হয়ে উঠতে চলেছে তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়।

অন্যদিকে এবিপির সমীক্ষানুযায়ী যদি বাস্তবে এই ফলেরই প্রতিফলন ঘটে তাহলে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর মুখের হাসি যে আরও অনেকটাই চওড়া হবে সেই ব্যাপারে নিশ্চিত হাত শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত কি হবে তা দেখবার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে আগামী লোকসভা ভোটের ভোটবাক্স খোলা পর্যন্ত।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!