এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আজই কি রাজ্য বিজেপিতে বড়সড় পরিবর্তন? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

আজই কি রাজ্য বিজেপিতে বড়সড় পরিবর্তন? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তুমুল সাফল্য পেয়েছে বিজেপি, আর এবার গেরুয়া শিবিরের পাখির চোখ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে তৃণমূলকে সরিয়ে নবান্নের গদিতে বসা। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দল থেকে বহু রাজনৈতিক নেতা-কর্মী বিজেপিতে নাম লেখাতে শুরু করেছেন। তা নিয়ে কোথাও কোথাও বিতর্কও হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যের একাধিক হেভিওয়েট রাজ্যনেতা লোকসভার সাংসদ হয়ে গেছেন। ফলে, রাজ্যে সাংগঠনিক ‘ফাঁক’ সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিয়ে আগামীদিনে বিধানসভা নির্বাচন লড়াই করা রীতিমত কঠিন হতে পারে।

এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের পরেই, রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে কান পাতলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে – ‘সবাই নাকি নেতা হয়ে গেছে’! অর্থাৎ কিনা দল একসুরে কথা বলছে না, যাঁর যেটা মনে হচ্ছে, তিনি সেইটাই দলের মত বলে চালাতে চাইছেন। কেউ বলছেন, দল বাড়াতে গেলে অন্যদল থেকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী আনতেই হবে। তো কেউ বলছেন, অন্যদল থেকে আনা নেতা-কর্মীদের ‘গ্যারেজ’ করে দেওয়া হবে। অমুক নেতার ঘনিষ্ঠ বলে পদ দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ এক দলের তো, তো অন্যদলের কথা নব্যদের নয় দলে গুরুত্ব দিতে হবে আদিদের! সব মিলিয়ে কোথাও গিয়ে যেন সুর কাটছে রাজ্য বিজেপির।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

আর এইসব অভিযোগের সবগুলোই পৌঁছেছে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সব কিছু শুনে চূড়ান্ত ক্ষিপ্ত। আর তাই আজ সন্ধ্যেবেলায় রাজ্য নেতাদের নিয়ে বসতে চলেছেন খোদ সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আর শুধু রাজ্য নেতাই নন, সেই বৈঠকে ডাক পড়েছে জেলা সভাপতিদেরও। সবে মিটেছে লোকসভার নির্বাচন, সেখানে দল ভালো ফলও করেছে রাজ্যে – তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এইভাবে তলব পড়ায় রীতিমত গুঞ্জন উঠেছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরমহলে। আজকের বৈঠকের শেষে নেতৃত্বে কয়েকটি পরিবর্তন হবে সেকথা নিশ্চিত।

যেমন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়ে যাওয়ায়, রাজ্য সম্পাদকের পদ ছেড়ে দিচ্ছেন দেবশ্রী চৌধুরী। অন্যদিকে সাংসদ হয়ে যাওয়ায় পদ ছাড়তে চলেছেন মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এই দু জায়গায় নতুন মুখ আসবেই, পাশাপাশিই গেরুয়া শিবিরের একটি মহল থেকে জল্পনা ছড়িয়েছে, দল বর্তমানে বড় হচ্ছে – এই পরিস্থিতে দলের নীতি-আদর্শ যাতে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য সঙ্ঘ সরাসরি এই ব্যাপারটা দেখতে চায়। আর তাই নাকি দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে সঙ্ঘের কোনো হেভিওয়েট মুখকে রাজ্য সভাপতি হিসাবে আনা হতে পারে।

অন্যদিকে, গেরুয়া শিবিরের আরেক অংশের মতে, দিলীপবাবু মেদিনীপুর থেকে জিতে সাংসদ হয়ে যাওয়ায়, তাঁকে বর্তমানে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেই বেশি সময় দিতে হবে। আর তাতে করে, আগে যেরকম তিনি রাজ্য চোষে বেড়াতেন, আর তা করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হবে না। ফলে, এবার রাজ্য সভাপতি হিসাবে একজন সর্বজনগ্রাহ্য মুখ, যিনি রাজ্যের প্রতিটা কোনা চোষে ফেলতে পারবেন – এমন কাউকে চায়। পাশাপাশিই, একাধিক জেলা সভাপতির বিরুদ্ধেও ক্ষোভ জমা পড়েছে কর্মীদের তরফে। আজকের বৈঠকের পর সরিয়ে দেওয়া হতে পারে তাঁদেরও। সবমিলিয়ে আজ দিল্লির বৈঠক ঘিরে একাধিক জল্পনা রাজ্য বিজেপির অন্দরমহলে।

Top
error: Content is protected !!