এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > বীরভূমের ভোটগ্রহণের আগের দিনেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বড় ধাক্কা নির্বাচন কমিশনের!

বীরভূমের ভোটগ্রহণের আগের দিনেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বড় ধাক্কা নির্বাচন কমিশনের!

জল্পনাটা চলছিলই – আর এবার সেই জল্পনাকে সত্যি করে তাতেই সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন। বীরভূম জেলার ভোট শান্তিপূর্ণ করতে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে যা নির্বাচনের আগে এক বড়সড় ধাক্কা ঘাসফুল শিবিরের জন্য – কেননা অনুব্রতবাবুর উপরেই এবারের নির্বাচনী বৈতরণী পার হবার জন্য ভরসা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিছুদিন আগেই, তিনি বীরভূম জেলায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করতে এসে প্রকাশ্যেই অনুব্রত মন্ডলকে নির্দেশ দেন, বাঘের বাচ্চার মত লড়াই করবে, দরকারে ধমকাবে-চমকাবে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই প্রমাদ গুনতে শুরু করেন সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে ভোটকর্মীরা। আতঙ্কিত ভোটকর্মীরা নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি চিঠি লিখে আবেদন জানান – বীরভূম জেলায় সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে, অনুব্রত মন্ডলকে নজরবন্দি করে রাখতে হবে। রাজ্য-রাজনীতিতে তো বটেই জাতীয় রাজনীতিতেও কার্যত যা নজিরবিহীন – যে একজন রাজনৈতিক নেতাকে নজরবন্দি করার অনুরোধ করছেন ভোটকর্মীরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেভাবে রাস্তায় ‘উন্নয়ন দাঁড়’ করিয়ে গোটা জেলা কার্যত বিরোধী শূন্য করে ফেলেছিলেন, তাতে এবারের লোকসভা ভোটে বীরভূম জেলায় কতটা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করা সম্ভব হবে তা নিয়ে আতংকিত ছিলেন অনেকেই। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই অনুব্রত মন্ডলকে পাঁচ-পাঁচবার শোকজ করেছে, কিন্তু অনুব্রত মন্ডল আছেন স্বমহিমাতেই। আর তাই, বীরভূম জেলার জন্য ১০০% বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, বিশাল সংখ্যক বাহিনী রাখা হয়েছে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরী হলে তা দ্রুত মোকাবিলা করার জন্য।

কিন্তু, তারপরেও অনুব্রতবাবু দাবি করেছিলেন, নির্বাচনের আগের দিন সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন সব বুথে ‘মাল’ পৌঁছে গেছে কিনা! এমনকি তাঁর দাবি ছিল, নির্বাচনের দিন তিনি ১৪ টি বিধানসভাতেই ঘুরে বেড়াবেন, কোনো এসপি-ডিএমের ক্ষমতা হবে না তাঁকে গ্রেপ্তার করার। আর তাই বোধহয়, নির্বাচন কমিশন কোনো ঝুঁকির পথে হাঁটল না। ভোটকর্মীদের দাবি মত, ভোটগ্রহণের আগের সন্ধ্যা থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণের পরের দিন সকালবেলা পর্যন্ত নজরবন্দি থাকবেন অনুব্রত মন্ডল বলে বীরভূম জেলা প্রশাসনের কাছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পৌঁছে গেছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!