এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কারণে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উত্তপ্ত অনুব্রত গড়

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কারণে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উত্তপ্ত অনুব্রত গড়

ফের উত্তপ্ত বীরভূম! তৃণমূল ও সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে সেসব কর্মীরা,তাঁদের উপর চড়াও হল তৃণমূল। বেধড়ক মারধোরের সঙ্গে সঙ্গে বোমাবাজিও চলে সমানে। মুহূর্তেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের ময়ূরেশ্বের এক নম্বর ব্লকের ঝিকাড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের কোট গ্রামে। ঘটনায় চারজন গ্রামবাসীও জখম হয়েছে বলে জানান বিজেপি সমর্থক হাসিফ শেখ। খবর পেয়ে ময়ূরেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আপাতত পুলিশি টহলদারী জারি রয়েছে এলাকায়।

জেলা সূত্রের খবর থেকে জানা গিয়েছে,গত ১৮ নভেম্বর মল্লারপুরে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে আয়োজিত জনসভায় প্রায় কয়েকশো সিপিএম কর্মী এবং তৃণমূল সমর্থক তৃণমূলে যোগ দেন৷ তারপরই অপ্রত্যাশিত ভাবে একশো দিনের কাজের প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হয় ওইসব দলত্যাগী কর্মীদের। এমনকি গতকাল রাতে ঝিকাড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির ইয়াকুব শেখের বাড়িতে ঢুকে মারধোর এবং ভাঙচুর চালায় তৃণমূল সদস্য নাসিম শেখ এবং তাঁর দলবল,এমনটাই অভিযোগ।

শুধু তাই নয়,পরদিন সকালেও তাঁরা ফের হামলা করে বিজেপি কর্মীদের। উল্লেখ্য,যেসব কর্মীরা দল বদল করেছেন শুধুমাত্র তাঁদের বাড়িতেই লুঠপাট এবং ভাঙচুর চালিয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগও রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

তবে এ অভিযোগ স্বীকার করতে নারাজ তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য নাসিম শেখ বলেন,গ্রামে গত ১৫ দিন ধরেই একটি ১০০ দিনের কাজ চলছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ করে বিজেপির কিছু লোকজন এসে দাবী করে তাঁদের কাজ দিতে হবে। এবং এর জন্যে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই জোর করে কাজে ঢুকতে চায় তাঁরা৷ তৃণমূলের তরফ থেকে বাঁধা দিগে গেলে বিজেপি তৃণমূলের লোকজনের উপর হামলা চালায়। যার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে তৃণমূলের এ অভি্যোগ মিথ্যে বলেই দাবীতে জানায় বিজেপি সমর্থক হাসিফ শেখ। তাঁর দাবী,তৃণমূলের লোকজনই প্রথম বিজেপির উপর হামলা চালিয়েছিল।

উল্লেখ্য,দলবদলের সূত্র ধরে তৃণমূল-বিজেপির অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের জেরে ফের উত্তেজনার পারদ চড়া হল অনুব্রত-গড়ে। বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নামেই পরিচিত রাজ্যরাজনৈতিকমহলে। জেলায় যে তৃণমূলের দাপট চলে সে কথা অজানা নয় কারো। তাই লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি পর্বে তৃনমূলের থেকে কর্মী-সমর্থকদের বিজেপিতে যোগ দেওয়াটা শাসকদলের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তাছাড়া এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে তৃনমূলের সাংগঠনিক শক্তির প্রশ্ন। তাই কর্মী-সমর্থকদের হঠাৎ করে বিরোধী দলে যোগ দেওয়াটা ঠিকভাবে মেনে নিতে পারেনি তৃণমূল,তার জেরেই এই হামলার ঘটনা হল। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। থমথমে পরিস্থিতি অব্যাহত এলাকায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!