এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > সামনেই বীরভূমের ভোট, আর তার আগে কেষ্টকে ধমকানো চমকানোর অনুমতি মুখ্যমন্ত্রীর, সরব বিরোধীরা

সামনেই বীরভূমের ভোট, আর তার আগে কেষ্টকে ধমকানো চমকানোর অনুমতি মুখ্যমন্ত্রীর, সরব বিরোধীরা

প্রায় প্রতিবার নির্বাচনের আগেই নানা রকম খাবারের দাওয়াই দিয়ে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আর এবারের নির্বাচনের আগেও কখনও পাচনের দাওয়াই তো কখনও বা নকুলদানা খাওয়ানোর কথা বলে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল তুলে দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় কেষ্ট তথা অনুব্রত মণ্ডলের এহেন মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রচ্ছন্ন হুমকির অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিরোধীরা। যা নিয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে সেই অনুব্রতবাবুকে শোকজ করা হলেও তিনি তার অবস্থান থেকে নড়েননি।

চতুর্থ দফায় অর্থাৎ আগামী 29 এপ্রিল সেই বীরভূমে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই অনুব্রত মন্ডলের কথা তুলে ধরে বীরভূম সন্ত্রাস কবলিত এলাকা বলে নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোটের সময় এই কেন্দ্রের প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিরোধীরা।

আর বিরোধীদের পক্ষ থেকে যখন এই অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ করা হচ্ছে, ঠিক তখনই এবার সেই বীরভূমের নির্বাচনী সভা থেকেই প্রিয় ভাই অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্টকে আরও চমক-ধমক দিতে বললেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অনুব্রত মন্ডলের উদ্যেশ্যে বলেন যে, ‘কেষ্ট তোমার পিছনে কেউ লাগলে একটু চমকাবে-ধমকাবে। ‘আর তৃনমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যকে ঘিরেই এবার তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সমালোচক মহলের একাংশ দাবি করতে শুরু করেছে, একসময় এই অনুব্রত মণ্ডলের বিতর্কিত মন্তব্যে যখন বীরভূমে কান পাতা দায় হয়ে উঠেছিল, ঠিক তখনই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে সেই অনুব্রত মণ্ডলকে বাক-সংযমের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আর লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজবার পর সেই বীরভূমের নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন সেই তৃণমূল নেত্রীর মুখ দিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে আরও চমক-ধমক দেওয়ার কথা শোনা গেল – এর পেছনে তৈরি হয়েছে নানা রহস্য।

বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হচ্ছে, আসলে হার নিশ্চিত জেনেই প্রিয় ভাই কেষ্টর গড় অক্ষত রাখতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সেই অনুব্রত মণ্ডলকে আরও বিরোধীদেরকে ভয় দেখানোর জন্য এই চমক-ধমক দেওয়ার মত শব্দগুলো ব্যবহার করলেন। তবে নির্বাচনের মরশুমে ভাই কেষ্টর উদ্দেশ্যে দিদি মমতার এহেন বার্তাকে আতঙ্ক হিসেবেই দেখতে শুরু করেছেন বীরভূমের রাজনৈতিক দলগুলো।তাদের দাবি এর ফলে সাধারণ মানুষ প্রভাবিত হবেন ভয় পাবেন।

অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি দিদি বলেছে যে যদি কেউ অনুব্রতবাবুকে বিরক্ত করে তবে তাকে ধমকাতে। শুধু শুধু বলে নি। বাইরে থেকে রাজ্যে এসে বিজেপি দিদিকে অনুব্রতকে ধমকাবে আর অনুব্রত চুপ করে থাকবে ,তা হবে না। তাদের দাবি তৃণমূল যতই শান্তিপ্রিয় হোক না কেন কেউ রাজ্যে অশান্তি বাঁধতে চাইলে তা তারা হতে দেবে না। আর দিদি এই কথাই বলেছেন অনুব্রতকে। বিরোধীরা সবসময় হয়কে নয় করেন। তবে সে যায় হোক তৃণমূলের এই ব্যাখ্যায় কিন্তু সন্তষ্ট নয় বিরোধীরা। আর অন্যদিকে অনুব্রত আর মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু এই নিয়ে পর্দার আড়ালেই আছেন। এখনো পর্যন্ত এই নিয়ে তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!