এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিহারে তীব্র হচ্ছে বিজেপি-নীতিশ মতভেদ,পাল্টা চাপের খেলা শুরু গেরুয়া শিবিরে

বিহারে তীব্র হচ্ছে বিজেপি-নীতিশ মতভেদ,পাল্টা চাপের খেলা শুরু গেরুয়া শিবিরে

২০১৯ এর লোকসভা ভোটকে টার্গেট করে বিহারের রাজনৈতিক দলগুলোও নিজের মতো করে প্রস্তুতি পর্ব শুরু করে দিয়েছে। আর তাতেই আসন রফা নিয়ে সামনে আসছে নানান দলীয় মতভেদ। জেডিইউ এর তরফের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারে বাসভবনে হওয়া বৈঠকের পর দলীয় নেতা অজয় অলোক জানিয়েদিয়েছিলেন আগে জেডিইউ ২৫ টি আসনে এবং বিজেপি ১৫ টি আসনে লড়াই করতো। এখন অন্যান্য দলগুলোও জোটে শরিক হতে এসেছে। তাই আসন রফা নিয়ে রাজ্যের বরিষ্ঠ নেতৃবর্গ আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। ওদিনই আবার ঘোষণা করা হয়েছিল ১৯ এর লোকসভা ভোটে এনডিএ জেডিইউ এ জোটবদ্ধ হয়েই ভোটে লড়বে। দলের অপর শীর্ষ নেতা পবন বর্মা বলেন যে বিহারের এনডিএ-র অন্যতম প্রধান মুখ নীতীশ কুমার আর সেকারণেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী। আর জোটের একটি বড় শরিক জেডিইউও। আসলে তিনি বলতেতে চেয়েছেন যে বিহারের এনডিএ কে আমজনতা ভোট দেবে নীতীশজির নেতৃত্বেকে দেখেই। মোদীজি গৌন এখানে। অন্যদিকে, বিহারের পদ্মশিবির আবার চাইছে মোদীজির ভাবমূর্তিকে সামনে রেখে ভোটে লড়তে। তাই তাঁরা আবার দাবী করছে তাঁরা এককভাবে ২৫ টি আসনে লড়বে এবং বাকি ১৫ টি আসনে লড়ুক জেডিইউ এবং এনডিএ’র অন্যান্য শরিকরা। পাটনার সাংসদ রামকৃপাল যাদব মোদীজির নেতৃত্বেই আগামী লোকসভা ভোটযুদ্ধে লড়তে চাইছেন। তিনি বলেন যে নরেন্দ্র মোদীই দেশের নেতা। তাকে সামনে রেখেই লড়বে সব রাজনৈতিক দলকে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

তবে জানা যাচ্ছে, নীতীশ কুমার বিজেপির এই আসন রফার সিন্ধান্তে সন্তুষ্ট নন। বেশি সংখ্যাক আসন দাবী করে বসে আছে জেডিইউও। তাই এরমকম পরিস্থিতিতে ৭ ই জুন পাটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই মঞ্চ থেকে জেডিইউ এর প্রতিনিধিত্ব করবেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে আরো জানা গেছে যে, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিহারের বিজেপিশিবির এককভাবে ২৯ টি আসনে লড়াই করে ২২ টি আসনে তাঁদের ঝান্ডা গেড়েছিলো। সেসময় মোদীজির দাপটের সামনে টিকতে পারেনি জেডিইউ। মাত্র দুটো আসন দখল করতে পেরেছিল। তখন যদিও এনডিএ র সাথ ছিল না।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!