এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > কংগ্রেস নেতা হত্যা মামলায় নতুন মোড়, মুকুল রায়কে থানায় হাজিরার নির্দেশ আদালতের

কংগ্রেস নেতা হত্যা মামলায় নতুন মোড়, মুকুল রায়কে থানায় হাজিরার নির্দেশ আদালতের

বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের রাজনৈতিক গুরু তথা উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরের কংগ্রেস নেতা মৃণালকান্তি সিংহ রায় ‘হত্যাকাণ্ডে’ নতুন মোড়। ২০১১ সালের ৮ ই জুন গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন মৃনালকান্তিবাবু। তখন কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। এর বেশ কয়েক বছর পরে হঠাৎ গলার সমস্যা দেখা দিলে তিনি আবার হাসপাতালে ভর্তি হন, ২০১৫ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু গতবছর নভেম্বর মাসে মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই মৃণালকান্তিবাবুর বোন সোনালি সিংহরায়।

আর তৃণমূলে যোগদানের কিছুদিনের মধ্যেই বীজপুর থানায় সোনালিদেবী অভিযোগ করেন, মৃণালকান্তিবাবুর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। মুকুলবাবু সেইসময় মৃণালকান্তিবাবুকে হাসপাতালে নিজের নজরদারিতে রেখেছিলেন, মুকুলবাবুই তাঁকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছেন। তাঁর আরো অভিযোগ ছিল, তাঁর দাদার মৃত্যুর পর প্রাথমিকভাবে কাঁচরাপাড়া থানায় মুকুলবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ বিষয়টিতে আমল দেয়নি। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন মুকুল রায় শিবির।

কিন্তু মৃণালকান্তিবাবুর এই ‘রহস্যময় মৃত্যুর’ কারণে গ্রেপ্তার হতে পারেন এই আশঙ্কায় আগাম জামিনের আবেদন করেন মুকুল রায়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি রবি কিষান কাপুরের ডিভিশন বেঞ্চে আজ ওই মামলার শুনানি ছিল। দুপক্ষের সওয়াল শোনার পর দুই বিচারপতি ব্যক্তিগত ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুকুল রায়ের আগাম জামিনের আর্জি মঞ্জুর করেন। কিন্তু তার সঙ্গেই তাঁরা নির্দেশ দেন, প্রতি দুসপ্তাহে একবার বীজপুর থানায় সশরীরে হাজিরা দিতে হবে মুকুল রায়কে। ফলে রাজ্য পুলিশ চাইলেও এখুনি মুকুল রায়কে এই মামলায় গ্রেপ্তার করতে পারছে না, যা বড়সড় স্বস্তির খবর মুকুল রায় শিবিরের কাছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Top
error: Content is protected !!