এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > আয়কর হানার গিয়ে জুটল ঘাড়ধাক্কা, কার্যত বিদ্রোহের মুখে রাজ্যের আয়কর কর্মীরা

আয়কর হানার গিয়ে জুটল ঘাড়ধাক্কা, কার্যত বিদ্রোহের মুখে রাজ্যের আয়কর কর্মীরা

আইনকে রক্ষার জন্য তল্লাশি চালালেও এবার সেই আইনরক্ষকদের নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগে আপাতত রাজ্যে সমস্ত আয়কর হানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইনকাম ট্যাক্স অফিসারেরা। কিন্তু কী এমন ঘটল! যার কারনে এই তল্লাশি অভিযান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেন আয়কর কর্তারা? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৪ ই সেপ্টেম্বর শিলিগুড়ির এক পাইকারি বাজারে কালো টাকা এবং পন্য মজুত রাখার খবর পেয়ে তিন জায়গার হানা দেয় এই ইনকাম ট্যাক্স অফিসারেরা।

সেখানেই সেই বাজারের কয়েকজন তাদের ঘিরে ধরে, শুরু হয় কথা কাটাকাটি ও পরে তা রূপ নেয় হাতাহাতির। অভিযোগ, সেখানে দীর্ঘক্ষন আটকেও রাখা হয় এই আয়কর দপ্তরের অফিসারদের। আর এরপরেই নিরাপত্তার অভাব বোধ করে কোনোরকম খানাতল্লাশিতে যেতে চাইছেন না ইনকাম ট্যাক্সের অফিসারেরা। জানা গেছে.শিলিগুড়ির এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে শাসকদলের দিকেই। কারন বাজারের সংগঠন তাদেরই দখলে।

কিন্তু নিয়মমত আয়কর দপ্তরের অফিসারেরা যেখানে হানা দেবেন সেখানে তো রাজ্য পুলিশ থাকবে। তাহলে তারা কেন এই পরিস্থিতিকে আয়ত্তে আনতে পারল না? এখানেই আয়কর দপ্তরের অফিসারদের অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া হয় না। আর এদিন পূর্বপরিকল্পনা সত্ত্বেও কোনো পুলিশ তাঁদের সাথে ছিল না। আর এখানেই রাজ্যের ভূমিকা নিয়েও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। আর এই ঘটনা শুধু এবার নতুন নয়, গত বছরও এই একই কারনে অভিযান বন্ধ করে দিয়েছিল আয়কর দপ্তর।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

যার জেরে করদাতাদের বাকি থাকা ৫ হাজার ৩২ কোটি টাকার মধ্যে ৫ শতাংশও আদায় না হওয়ায় রাজ্যের প্রতি তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেন সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেসের চেয়ারম্যান সুশীল চন্দ্র। কিন্তু দিল্লী যতই চাপ দিক না কেন, আয়কর অভিযানে যাওয়ার সময় রাজ্য পুলিশের যোগ্য সঙ্গতের অভাবে যেভাবে আয়কর কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে তাতে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চাননা তাঁরা। আর তাই যতক্ষন না আয়কর দপ্তর পুলিশ ও নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করবে ততক্ষন তাঁরা কোনো অভিযানে যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের আয়কর দপ্তরের কর্মীরা।

সূত্রের খবর, এই ব্যাপারে রাজ্যের প্রিন্সিপাল চিফ কমিশনার অব ইনকাম ট্যাক্সকে একটি চিঠিও দিয়েছে রাজ্যের আয়কর বিভাগের কর্মী অফিসারদের যৌথ মঞ্চ। সব মিলিয়ে এখন রাজ্য এই আয়কর দপ্তরের অফিসারদের নিরাপত্তার সমস্যা অনুভব করে ঠিক কী পদক্ষেপ নেয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। কিন্তু, এই অনাদায়ী ট্যাক্স থেকে একটা বড় পরিমান টাকা আসে সরকারের ঘরে, যা রাজ্য বা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো হয়। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারেবারেই জানিয়েছেন রাজ্যের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা – সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কেন রাজ্য পুলিশের সাহায্য পাচ্ছেন না আয়কর দপ্তর – গুঞ্জন উঠে গেছে তা নিয়েও।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!