এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পেনাল্টি ও সুদসহ বকেয়া সেল ট্যাক্সের ক্ষেত্রে বিপুল ছাড় এই ব্যবসায়ীদের – জানুন বিস্তারিত

মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পেনাল্টি ও সুদসহ বকেয়া সেল ট্যাক্সের ক্ষেত্রে বিপুল ছাড় এই ব্যবসায়ীদের – জানুন বিস্তারিত

Priyo Bandhu Media


এবার মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে হাসি ফুটছে কাঁথির কাজু ব্যবসায়ীদের মুখেও – পেনাল্টি ও সুদ সহ বকেয়া সেল ট্যাক্সের ক্ষেত্রে এই ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়ায় প্রবল খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়েছে তাঁদের মধ্যে। জানা গেছে, কোনো ব্যক্তি যদি এবার থেকে ট্যাক্সের টাকা এককালীন হিসেবে জমা দিতে চান তাহলে তাঁর জন্য ৭৫% ছাড়ের ব্যবস্থা করা হবে। অন্যদিকে যে সমস্ত ব্যবসায়ীদের কাগজের ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে, আগামী ৩১ শে মার্চের মধ্যে তাঁরা সমস্ত কিছু জমা দিলে তাদের বকেয়া ট্যাক্সের ক্ষেত্রে সমস্ত ব্যাপার মঞ্জুর করা হবে বলেও জানা গেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কাঁথি ১, ২ এবং রামনগর ১, ২ নম্বর ব্লকে বর্তমানে সব মিলিয়ে মোট ১ হাজার কাজু প্রসেসিং ইউনিট রয়েছে। আর এই কাজের সঙ্গে লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। কিন্তু গত বছর থেকেই তাঁরা চরম সমস্যার মুখে পড়েন। কেননা গতবছর জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকেই দীর্ঘদিন ধরে এখানে বিভিন্ন কারণে ট্যাক্স জমা না দেওয়া ব্যবসায়ীরা সেল ট্যাক্স দপ্তরের কড়াকড়িতে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। জানা যায়, ট্যাক্স দপ্তরের পক্ষ থেকে বিগত ২০১২ সাল থেকে জিএসটি চালুর আগে পর্যন্ত কর জমা দেওয়ার সমস্ত কাগজপত্র নতুন করে তদন্তের কাজ শুরু করা হয়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর এর জেরেই বহু ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা ফাইন করার পাশাপাশি ২০০% পেনাল্টি ও সুদ বাবদ প্রত্যেকের জন্যই ১ থেকে ১০ কোটি টাকার ফাইন ধার্য করা হয়। এমনকী এর জেরে অনেক ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টও সিল করে দেওয়া হয়। যার ফলে প্রবল আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেখানকার অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও। এদিকে এই সমস্যার সমাধানের জন্য চলতি মাসেই বেঙ্গল কাজু অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবসায়ীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে সমস্ত বিষয় জানান।

আর ব্যবসায়ীদের এই সমস্যার কথা শুনেই অর্থমন্ত্রী ও পরিবহন মন্ত্রীকে নিয়ে এক বৈঠক করে দ্রুত সেল টেক্স দপ্তরকে এই ব্যাপারে সমস্ত সমস্যার সমাধানের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমতো নিমতৌড়িতে জেলা পরিষদের মিটিং হলে একটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, সেল ট্যাক্সের উপর চাপানো ইন্টারেস্ট সহ ২০০% পেনাল্টি প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কেউ যদি এককালীন বকেয়া ট্যাক্সের টাকা জমা দিতে চান তাহলে তিনি যেমন ৭৫% ছাড় পাবেন, ঠিক তেমনি নতুন কাগজপত্র ঠিক করে ৩১ শে মার্চের মধ্যে কেউ তা জমা দিলে তাঁকে আর কোনোরূপ বকেয়া ট্যাক্স দিতে হবে না।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!