এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > জিও থেকে এয়ারটেল হয়ে ভোডাফোন-আইডিয়া – বড় টেলিকম অপারেটরগুলির বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ উঠলো

জিও থেকে এয়ারটেল হয়ে ভোডাফোন-আইডিয়া – বড় টেলিকম অপারেটরগুলির বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ উঠলো

জিও মোবাইল পরিষেবা বাজারে নিয়ে এসে টেলিকম দুনিয়ায় যেন বড়সড় এক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন মুকেশ আম্বানি। উড়েছে প্রতিদ্বন্দ্বীদের রাতের ঘুম – একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। ডিজিট্যাল ইন্ডিয়া করার স্বপ্ন সফল হয়েছে আম্বানির। হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল পরিষেবা বিনামূল্য দিয়ে গ্রাহকমহলে রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন রিলায়েন্সের কর্ণধার।

তবুও পরিষেবা সংক্রান্ত অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে। বর্তমানে জিও কলড্রপের অভিযোগে অভিযুক্ত। মোবাইলে কথা বলতে গেলেই হঠাৎ করে নেটওয়ার্ক সমস্যা হচ্ছে। আর তার জেরেই কেটে যাচ্ছে কল। দরকারি ফোন করার সময় নেটওয়ার্কই পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। এই কলড্রপের সমস্যা নিয়ে বারবার অভিযোগ করা হলেও সুরাহা মেলেনি না এখনো। কলড্রপের জ্বালায় ক্রমশ যেন তিতিবিরক্ত হয়ে উঠছেন গ্রাহকরা।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

বর্তমানে ভারতের টেলিকম বাজারের সিংহভাগ দখল করে রেখেছে এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া এবং রিলায়েন্স জিও। একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে – এই সব টেলিকম সংস্থার ৫৬% গ্রাহকই এই কলড্রপ সমস্যায় ভুক্তভোগী। কলড্রপের সমস্যা সবথেকে বেশি অবশ্য এয়ারটেলে। এনিয়ে এয়ারটেলের গ্রাহকরাও বহুবার অভিযোগ জানিয়েছেন। এরপরের জায়গায় রয়েছে ভোডাফোন। তবে এই দুই অপারেটরের থেকে জিও’র কলড্রপের সমস্যা তুলনায় কম বলেই জানা গেছে।

ট্রাইয়ের একটি রিপোর্টও বলেছে একই কথা। সেখানেও বলা হয়েছে, রিলায়েন্স জিও-র তুলনায় বাকি টেলিকম অপারেটরগুলোতে বেশি কলড্রপ হয়। টেলিকম অপারেটরগুলির কলড্রপের সমস্যা ঠিক কতোখানি তা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষা করা হয়। দেশের বিভিন্ন হাইওয়ে ও রেলরুটের নেটওয়ার্ক পরিষেবা যাচাই করার পর দেখা গিয়েছে, এয়ারটেলের ৩৭% গ্রাহক এই কলড্রপের সমস্যায় ভুগছেন।

অন্যদিকে, ভোডাফোনের ক্ষেত্রে তা ৩২% এবং জিওর ২৭% গ্রাহক এই সমস্যার ভুগছেন। সমীক্ষাকারী সংস্থা জানিয়েছে, এসব ক্ষেত্রে ঠিকঠাক সিগন্যাল পেতে গেলে গ্রাহকদের নাস্তানাবুদ হতে হয়। বন্ধ ঘরে সিগন্যালিং-এর সমস্যা হয়। ঘরে থেকে বেরিয়ে বাইরে গিয়ে নেটওয়ার্ক খুঁজতে গিয়ে নাকানিচোবানি খেতে হয় গ্রাহকদের। এই সমস্যার কথা প্রকাশ্যে আসার পর টেলিকম মন্ত্রক সমাধানের লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ নেয় – এখন সেদিকেই নজর রয়েছে গ্রাহকদের।

আপনার মতামত জানান -
Top