এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ভারতী ঘোষকে বিষ দিয়ে হত্যার চেষ্টায় অভিযুক্ত বিশেষ দায়িত্ব পেলেন তৃণমূলে! দলেই শুরু চাঞ্চল্য

ভারতী ঘোষকে বিষ দিয়ে হত্যার চেষ্টায় অভিযুক্ত বিশেষ দায়িত্ব পেলেন তৃণমূলে! দলেই শুরু চাঞ্চল্য

একসময় “জঙ্গলমহলের মা” বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিহিত করতেন প্রাক্তন পুলিশ সুপার তথা বর্তমান বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অবস্থার অনেক অবনতি ঘটেছে। একসময় যে ভারতী ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এখন সেই ভারতীদেবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধ দল বিজেপিতে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আর আশ্চর্যজনকভাবে সেই ভারতী ঘোষ পুলিশ সুপার থাকাকালীন তাঁর খাওয়ার জলে বিষ মেশানোয় অভিযুক্ত মনোজ তাম্বেকে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্রের খবর, খড়্গপুর শহরে শনিবার এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তৃনমূলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একাংশের দাবি, পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সামনে রেখে দল যখন এই শহরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে, তখন এই পদক্ষেপ দলের ক্ষতি করে দেবে। নতুন করে আরেক গোষ্ঠী জন্ম নেবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এদিন এই প্রসঙ্গে খড়্গপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি পার্থ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমাকে, কার্যকরী সভাপতি অসিত পাল ও মনোজকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মনোজ এখন দলের কোনও পদে নেই। কীভাবে তিনি দায়িত্ব পেলেন তাও বলতে পারব না। আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। তবে শুনেছি, তিনি নাকি দায়িত্ব পালন করবেন না। এদিন থেকে কাজ শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু, তাঁকে দেখা যায়নি।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মনোজবাবু এক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগঠন তৃণমূল যুবার জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলালেও পরে তাঁকে জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি করা হয়। তবে অবশ্য খড়্গপুর শহর বা জেলায় সেভাবে দলের কোনও কর্মসূচিতে সেই মনোজ তাম্বেকে দেখা না যাওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

অভিযোগ, ভারতী ঘোষ যখন পুলিস সুপার ছিলেন, সেই সময় তাঁর অফিসে খাবার জলে বিষ মিশিয়ে দেয় এই মনোজবাবু। যার জন্য পুলিস তাঁকে গ্রেপ্তারও করেছিল। আর এবারে এহেন বিতর্কিত ব্যক্তিকেই সেই দিদিকে বলোর দায়িত্ব দেওয়ায় তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল।

অনেকে বলছেন, ভারতী ঘোষকে কিছুটা বিপাকে ফেলতেই মনোজ তাম্বেকে “দিদিকে বলো” র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিতর্কিত ব্যক্তিকে যদি বিরোধী দলের নেত্রীকে চাপে ফেলার জন্য তৃণমূল ব্যবহার করে, তাহলে তো শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সে ক্ষেত্রে কেন সবকিছু জেনেও তৃণমূলের বিতর্কিত ব্যক্তিকে জনসংযোগ কর্মসূচির দায়িত্ব দিল! তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

Top
error: Content is protected !!