এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > রক্তক্ষরণের মাঝেও ‘বেনোজল’ ও নিষ্ক্রিয় কর্মী ছাঁটাই করে শুদ্ধিকরণের প্রক্রিয়া চালু বামফ্রন্টে

রক্তক্ষরণের মাঝেও ‘বেনোজল’ ও নিষ্ক্রিয় কর্মী ছাঁটাই করে শুদ্ধিকরণের প্রক্রিয়া চালু বামফ্রন্টে

2011 সালে রাজ্যে নিজেদের সাম্রাজ্য পতনের পর থেকেই কার্যত একের পর এক নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বামেদের। বিরোধী দল হিসেবে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মাঠে নামা তো দূরঅস্ত, সর্বহারা নেতাদের দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে তেমন কোনো ভূমিকা পালনে দেখা যায়নি।

জেরে জেলায় জেলায় ধ্বস নেমেছে দলের সংগঠনে। ক্ষমতার মূলস্রোতে থাকতে কিছু কর্মী যেমন নাম লিখিয়েছেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে, ঠিক তেমনি দলের ভেতরে থেকেও কিছু কর্মী নিষ্ক্রিয় অবস্থাতেই রয়ে গেছেন। কিন্তু সামনেই লোকসভা ভোট। আর তাই সেই লোকসভা ভোটের আগে দলের সমস্ত কর্মীকে এ এক নতুন পরীক্ষার সামনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন সিপিএম নেতারা।

সূত্রের খবর, গত রাজ্য সম্মেলনের পর ছয় মাস ধরে দলের সদস্যদের পারফরম্যান্স ঠিক কি ছিল তা দেখতে একটি ফরম্যাট তৈরি করেছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। রাজ্য প্লেনামের সিদ্ধান্ত ঠিক কতটা মেনে চলেছেন দলের কর্মীরা তা জানতে সমস্ত জেলা নেতৃত্বের কাছে ইতিমধ্যেই সেই ফরম্যাট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, রাজ্যের সমস্ত জেলা নেতৃত্বকে পাঠানো এই ফরম্যাট আগামী 15 ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জমা দিতে বলেছে সিপিএম। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত প্লেনামে ঠিক হয় যে, দলীয় বৈঠক ও কর্মসূচিতে হাজিরা, জনসংযোগে উৎসাহ, পার্টির পত্র পত্রিকা পড়া ও বিক্রির ক্ষেত্রে ভূমিকা, 3 মাস অন্তর লেভি প্রদান, জীবন যাপনের স্টাইল, নিজেদের রোজগার ইত্যাদি বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করেই দলের সদস্যদের পারফরম্যান্স যাচাই করবে সিপিএম নেতৃত্ব।

কিন্তু যেভাবে রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই ভেঙে পড়েছে দলীয় সংগঠন তাতে দলের সংগঠন, তাতে নেতাদের যদি সঠিক ভূমিকা দেখা না যায় তাহলে সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব সেই সব নেতাদের সম্পর্কে ঠিক কী কী পদক্ষেপ নেবে? দলীয় সূত্রের খবর, প্রথম ধাপে অকৃতকার্য সদস্যদের সতর্ক করা হবে। তারপর ছয় মাস তাদের ওপর নজর চালিয়ে পরবর্তী রিপোর্ট দেখে যদি মনে হয় যে, ঠিক মত তারা কাজ করতে পারেননি তাহলে তাদের দল থেকে ছেঁটে ফেলা হবে।

কিন্তু এমনিতেই যখন রাজ্যে দলীয় সংগঠনের এহেন দশা ঠিক তখন লোকসভার আগে সেই কর্মী ছেঁটে ফেললে তো আখেরে বড়ই সমস্যার মুখে পড়বে সিপিএম! দলের একাংশের মতে, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ঢের ভালো।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর তাইতো নিষ্ক্রিয় সদস্যদেরকে ছাঁটাই করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দল নিলে তা অত্যন্ত বিচক্ষণেরই কাজ হবে। তবে যতই কড়া নিদান দেওয়া হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত লোকসভা ভোটের আগে এই রকম কোন রিস্ক নেবেন কিনা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র তা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!