এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূল শত বিরোধিতা করলেও CAB নিয়ে আপ্লুত বাংলার উদ্বাস্তু সমাজ, মোদী- শাহকে বিশেষ সম্মান

তৃণমূল শত বিরোধিতা করলেও CAB নিয়ে আপ্লুত বাংলার উদ্বাস্তু সমাজ, মোদী- শাহকে বিশেষ সম্মান



ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে পূর্ববঙ্গ থেকে আগত শরণার্থীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে। এরমধ্যে স্বাধীনতা প্রাপ্তির প্রথমে যারা ভারতবর্ষে এসেছিল, সাংবিধানিক রুপে তারা ভারতের নাগরিক হলেও পরবর্তী সময়ে ধর্মীয় উত্তোলনের কারণে যে সমস্ত শরণার্থীরা বাংলাদেশ থেকে ভারতবর্ষে এসেছিল, তাদের মধ্যে মূলত হিন্দু শরণার্থীদের আধিক্য ছিল সবচাইতে বেশি।

দীর্ঘদিন ধরে তাদের তরফ থেকে দাবি করে আসা হচ্ছে যে, তাদেরকে ভারত সরকারের তরফ থেকে নাগরিকত্ব দেওয়া উচিত। এই নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে মতুয়া সমাজ দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে এই সমাজকে আন্দোলনে শরিক হতে দেখা গেছে। কিন্তু রাজ্যে ক্রমাগত যে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা।

একদিকে যেমন পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তু শরণার্থী শিবিরের মানুষের দাবি মোতাবেক কেন্দ্রের সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ইতিমধ্যেই লোকসভায় পাস করেছেন, অন্যদিকে তেমনই এই বিলের সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে লোকসভায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এক্ষেত্রে তৃণমূলের তরফে বিলটিকে ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি এবং দেশ এবং সংবিধান বিরোধী বলে অভিহিত করেছেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

তবে ভারতের জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গের শরণার্থী মানুষদের থেকে ধন্যবাদ স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এর জন্য তাদের কাছে জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারি মাসের সময় চাওয়া হবে।” ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে উদ্বাস্তু সংগঠনগুলির সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গ শাখা আলোচনা করেছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা।

যদিও সেই সংবর্ধনা সভা পশ্চিমবঙ্গের ঠিক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিজেপির তরফ থেকে এরকম কোনো অনুষ্ঠান বা উদ্বাস্তু সংগঠনের থেকে এরকম কোনো সংবর্ধনা সভা আয়োজন করা হলে তা মহানগরী কলকাতাতেই হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সময় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় উত্থাপিত করা হয়েছিল।

সেখানে সেই বিল পাস হলেও পরবর্তীতে রাজ্যসভায় গিয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আটকে যায়। ইতিমধ্যেই দেশে সাধারণ লোকসভা নির্বাচন চলে আসার কারণে লোকসভা ভঙ্গ হয়ে যায়। ফলে সেই সময় সেই আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। এবার নরেন্দ্র মোদি টু সরকারের সময় পুনরায় শত বিতর্কের মধ্যেই লোকসভায় ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাস হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল।

পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত হিন্দু-বৌদ্ধ ঈশাই, শিখ ইত্যাদি সেই সমস্ত দেশের সংখ্যালঘু ধার্মিক উৎপীড়নের শিকার মানুষজনদেরকে ভারতের নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। জানা যাচ্ছে, আগামীকাল রাজ্যসভায় পেশ হতে যাচ্ছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। এখন রাজ্যসভায় এই বিলের ভবিষ্যৎ কি হয়! সেদিকে অবশ্যই তাকিয়ে থাকবে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!