এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দুই বাঙালির হাত ধরেই কি এবার নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের সমাধান? জল্পনা বাড়াল ফেসবুক পোস্ট

দুই বাঙালির হাত ধরেই কি এবার নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের সমাধান? জল্পনা বাড়াল ফেসবুক পোস্ট

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবার নতুন সত্যের খোঁজে। সাথে রয়েছেন প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়। কিসের অন্বেষণে সৃজিত মুখোপাধ্যায়? জানা গেলো গুমনামি বাবা’কে খুঁজছেন তিনি। কিন্তু এই গুমনামি বাবা ঠিক কে? কী তাঁর সঠিক পরিচয়, অনেকে বলেন এই গুমনামী বাবাই হলেন আসলে নেতাজি। অবশ্য সেই নিয়ে অসংখ্য মতবিরোধ রয়েছে।
পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি মানেই এতদিন দর্শক জানতো রহস্য, রোমান্স, কিছুটা অ্যাকশন, সব মিলিয়ে নিটোল গল্পের বাংলা ছবি। জানা যাচ্ছে গুমনামি বাবার রহস্যকে কেন্দ্র করেই তৈরী হতে চলেছে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আগামী ছবি। যারা তথাকথিত সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ফ্যান তাদের ইতিমধ্যেই জানা হয়ে গিয়েছে তাঁর আগামী ছবির বিষয়বস্তু সম্পর্কে। আর যাঁরা এখনও জানেননা তাঁরা বিভিন্ন সূত্রে জানতে শুরু করেছেন গুমনামী বাবা সম্পর্কে।
উল্লেখ্য আবারও শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের প্রযোজনায় সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরবর্তী ছবি হতে চলেছে। পরিচালক স্বয়ং এদিন জানালেন ছবিরতে নেতাজীর চরিত্রে অভিনয় করবেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত, এই গুমনামি বাবা সবসময়েই লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতেন। তাঁর নিবাস ছিলো ফৈজাবাদ আশ্রমের রাম ভবন। তিনি কারোর সাথেই সেভাবে মেলামেশা বা বাক্যালাপ করতেন না। এই গুমনামির বাবা’র পাওয়া বেশ কিছু ছবি দেখলে হুবহু নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চেহারার আদল পাওয়া যায় তাঁর মুখে। মুখাবয়বে শুধু একটুই ফারাক এই গুমনামি বাবার মুখে রয়েছে লম্বা দাঁড়ি। যাঁরা তাঁকে নিজেদের চোখে দেখেছেন তাঁদের মারফত জানা গিয়েছে এই গুমনামি বাবা সারাদিন বই পড়েই নিজের সময় অতিবাহিত করতেন।  ১৯৮৬ সালে তিনি মারা যান। অজানা এই মানুষটির নাম দেওয়া হয়েছিলো গুমনামি বাবা। এইরকম একজন মানুষের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কৌতুহল থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই গুমনামি বাবার মৃত্যুর পরে তাঁর ঘর থেকে গোল ফ্রেমের চশমা, বেলজিয়ান টাইপরাইটার, ইতালি এবং জার্মানির সিগার এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে ও পরের কিছু সংবাদপত্র। এমনকি নেতাজির বাবা জানকিনাথ বসু এবং মা প্রভাবতী দেবীর ছবি উদ্ধার করা হয়। শুধু তাই নয় একই সঙ্গে পাওয়া যায় বাবা-মা সহ পরিবারের ২২ সদস্যের ছবি। এছাড়াও নেতাজির আত্মীয়ের কয়েকটি চিঠি। এইসব দেখেই অনেকে অনুমান করেন এই গুমনামি বাব’ই আসলে নেতাজী। সাধুর বেশে তিনি ফৈজাবাদের ঐ আশ্রমে বসবাস করতেন। যদিও এই তথ্য কতটা সত্যি তা নিতে আজও সংশয় থেকেই যায়। আর এবার কি সেই জট ছাড়াতে চলেছেন সৃজিত আর প্রসেনজিৎ তার অপেক্ষায় পুরো দেশ।

Top
Close
error: Content is protected !!