এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বাংলায় বিজেপির ‘শেষ কথা’ হতে চলেছেন কি মুকুল রায়ই? অমিত শাহের ‘হুঁশিয়ারিতে’ নতুন জল্পনা

বাংলায় বিজেপির ‘শেষ কথা’ হতে চলেছেন কি মুকুল রায়ই? অমিত শাহের ‘হুঁশিয়ারিতে’ নতুন জল্পনা

সম্প্রতি প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখার দাবী করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের রোষের মুখে পড়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পরে অবশ্য সমস্ত বিতর্ক এড়াতে দিলীপ বাবু ‘একটু মজা করে বলেছিলাম’ ঘোষণা করতেও তাঁর কথায় তেমন পাত্তা দেননি রাজ্য বিজেপির অন্যান্য হেভিওয়েটরা। তাঁর বিরুদ্ধে সটান নালিশ চলে গিয়েছিল দিল্লিতে। দিলীপ বাবুর এই ধরণের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে লোকসভা ভোটের আগে শুধু তৃণমূল ফুলে ফেঁপে উঠবে তাই নয়,কংগ্রেস সিপিএমও এর থেকে অক্সিজেন পাবে। এভাবে চলতে থাকলে বাংলায় বিজেপির লক্ষ্য কোনোদিনও পূরণ হবে। এরকম নালিশ জানিয়েই অমিত শাহের কাছে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপির একাংশ। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির এহেন বেফাঁস মন্তব্য শুনে স্বাভাবিকভাবেই রেগে রয়েছেন জাতীয় বিজেপি সুপ্রিমো। তারই প্রমাণ পাওয়া গেল সম্প্রতি দিল্লিতে হওয়া দলীয় বৈঠকে। সেখানে রাজ্যনেতাদের প্রয়োজনের বেশি কথা বলা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন অমিত শাহ। আর এ ব্যাপারে শুধু দিলীপ ঘোষই নয়,বিজেপির হাইকমান্ডারের কোপের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় বিজেপি সম্পাদক রাহুল সিনহাও।

রাহুল সিনহা,দিলীপ ঘোষ এবং বাবুল সুপ্রিয়ের মতো বিজেপির হেভিওয়েট নেতাদের মতো গতকাল দিল্লিতে বিজেপির মহাধিবেশনে বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির অন্য এক জনপ্রিয় নেতা মুকুল রায়। রাজ্যের বর্তমান অবস্থার কথা যেভাবে তিনি তুলে ধরলেন তাতেই স্পষ্ট হয়ে গেল মুকুল রায় বিজেপিতে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তৈরি করতে পেরেছেন।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকেও বিশেষভাবে জাতীয় বিজেপি সভাপতির নজর কাড়লেন একসময়ের তৃণমূলত্যাগী এই নেতা। দিলীপ,রাহুলকে কড়া হুঁসিয়ারী দিলে অমিত শাহ জানালেন, ‘বাড়তি কথা বলবেন না। মমতাকে নিয়ে আপনাকে কে বলতে বলেছে? দরকারে মুকুল রায়ের সঙ্গে কথা বলে নেবেন’। দলের সর্বভারতীয় সভাপতির নির্দেশ শুনে কোনো উচ্চবাচ্য করার সাহস পেলেন রাজ্যবিজেপির এই দুই হেভিওয়েট নেতা। সভাপতির নির্দেশের নীরব সম্মতি দিলেন কেবল। দলের জাতীয় সুপ্রিমোর সঙ্গে বৈঠকে মুকুল রায়ই যে সেরার খেতাব ছিনিয়ে নিয়ে গেলেন তা স্পষ্ট হয়ে গেল অমিত শাহের বক্তব্যেই।

উক্ত বৈঠকে লোকসভা ভোটে জনসমর্থনকে একত্রিত করতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রচার আরো বেশি করে করার নিদান দিলেন অমিত শাহ। রাজ্য বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে সংশয়ের মুহূর্তে বাংলার জনগনের সামনে দলীয় ভাবমূর্তিকে আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরতেই কেন্দ্রীয় জনস্বার্থমুখী প্রকল্পের প্রচার বাড়াতে বললেন শাহ। প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ও নাগরিকত্ব বিল নিয়ে প্রচারে কোমর বেঁধে ময়দানে নামার নির্দেশ দিলেন সর্বভারতীয় সভাপতি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে প্রস্তাবিত সভাগুলোকে ফোকাস করার পরামর্শ দেন জাতীয় বিজেপি সুপ্রিমো। প্রসঙ্গত,রাজ্যের নির্বাচনী রণকৌশলে দলীয় নেতাদের দিশা দিতে বৈঠকে বসার বার্তা দিয়ে রেখেছিলেন অমিত শাহ। সেইমতোই দলের রাজ্যনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সংগঠনের ভুল ত্রুটি গুলো আরো একবার ধরিয়ে দিলেন তিনি। দিলীপ ঘোষ,রাহুল সিনহাদের চাঙ্গা করতে আরো একবার মনে করিয়ে দিলেন লোকসভা ভোটের লক্ষ্যমাত্রার কথা। বললেন,অসম,ত্রিপুরা,ওড়িশার মতো পশ্চিমবঙ্গেও ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এবারের লোকসভা ভোটেই তৃণমূলকে বিজেপির ক্ষমতা দেখিয়ে দিতে হবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!