এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > বর্ধমান পুরসভায় বিপুলসংখ্যক “বিল্ডিং প্ল্যান” নিয়ে বড়সড় দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ

বর্ধমান পুরসভায় বিপুলসংখ্যক “বিল্ডিং প্ল্যান” নিয়ে বড়সড় দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ

রাজ্যের সিংহভাগ পুরসভা গুলির মেয়াদ প্রায় শেষ। আর সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে একের পর এক দুর্নীতি উঠে আসছে সেই পুরসভাগুলিরই বিরুদ্ধে। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের বালুরঘাট পুরসভার মেয়াদ শেষের দিনে রাজ্যে দুর্নীতিতে শ্রেষ্ঠ বলে সেখানে শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিল বিজেপি। এবার বর্ধমান পুরসভাতেও বিগত বোর্ডের বিরুদ্ধে উঠল দুর্নীতির অভিযোগ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত 22 অক্টোবর এই বর্ধমান পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও আগামীকাল প্রশাসক হিসেবে এখানে দায়িত্ব নেবেন বর্ধমান সদর উত্তরের মহকুমাশাসক পুষ্পেন্দু সরকার। আর এইখানেই অনেকের অভিযোগ যে, মহকুমাশাসক দায়িত্ব নেওয়ার ঠিক আগে কোটি কোটি টাকা মূল্যের বিপুল সংখ্যক বিল্ডিং প্ল্যান পাস করানো হয়েছে। জানা যায়, গত 2017 সালের ১ নভেম্বর এই পুরসভারই একমাত্র অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুনীলকুমার ঘরকে প্ল্যানিং বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার বদলে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওয়াটার ওয়ার্কস বিভাগে।

অন্যদিকে সেই সুনীল কুমার ঘরের জায়গায় আনা হয় একজন অবসরপ্রাপ্ত সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে। আর এরপরই পুরসভার এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরে একটি অভিযোগও করেন সেই সুনীল কুমার ধর। সূত্রের খবর, এরপর পুর দপ্তরের পক্ষ থেকে জবাব চাওয়া হলেও তা সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যান পুরসভার চেয়ারম্যান স্বরূপ দত্ত। এই পরিস্থিতিতে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই সেই পুরসভার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন প্ল্যানিং বিভাগের ই অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুনীলকুমার ঘর। এদিন তিনি বলেন, “মেয়াদ ফুরোনোর আগেই বর্ধমান পুর কর্তৃপক্ষ রেকর্ড সংখ্যক বিল্ডিংয়ের প্ল্যান পাশ করিয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রেখে গত 11, 12 এবং 22, 23 তারিখে চল্লিশটির বেশি বহুতল নির্মাণের প্ল্যান পাস করানো হয়েছে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। কেননা যেখানে পুরসভায় প্রতিদিন 3-4 টি করে প্ল্যান পাস হয় সেখানে একদিনেই 40 টির মতো বহুতল নির্মাণের প্ল্যান কি করে পাশ হলো তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন প্রত্যেকেই! কেন এমনটা হল এ নিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান স্বরূপ দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনরূপ মন্তব্য করতে চাননি। তবে এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন বর্ধমান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খন্দেকার মহম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, “চেয়ারম্যান কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই এই সুনীল বাবুকে প্ল্যানিং বিভাগ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।” সব মিলিয়ে এবার মেয়াদ শেষ হতে না হতেই বিল্ডিং প্ল্যান নিয়ে বর্ধমান পুরসভার বিদায়ী পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সরগরম রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!