এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অভিভাবকহীন মতুয়া মহাসমাজ, অগণিত ভক্তকে কাঁদিয়ে চিরশান্তির পথে সকলের বড়মা

অভিভাবকহীন মতুয়া মহাসমাজ, অগণিত ভক্তকে কাঁদিয়ে চিরশান্তির পথে সকলের বড়মা


আশঙ্কাটা গত কয়েকদিন ধরেই তীব্র হচ্ছিল – অবশেষে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা বিরত করে সকলের প্রণম্য বড়মা বীণাপাণিদেবী গতকাল রাত ৮ টা ৫২ মিনিটে কলকাতায় মহাপ্রয়াণের পথে যাত্রা করলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়, চিকিৎসকদের পরামর্শে কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ থেকে কলকাতার পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বড়মার দুটি ফুসফুসেই নিউমোনিয়া ধরা পড়েছিল, মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে উচ্চপর্যায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

কিন্তু, অবশেষে গতকাল রাতের দিকে চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন – শেষরক্ষা করা গেল না। বাঁচানো গেল মতুয়া মহাসঙ্ঘের অভিভাবককে। বড়মার শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হচ্ছে খবর পেয়েই হাসপাতালে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হতেই নিজের গভীরভাবে শোকাহত হওয়ার কথা জানান। বড়মার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হওয়ার কথা নিজের ট্যুইট বার্তাতে জানান বিজেপি নেতা মুকুল রায়ও।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, আজ সকালে বড়মার অবিনশ্বর দেহ শেষযাত্রায় কলকাতা থেকে ঠাকুরনগরের ঠাকুর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। সেখানে, অগণিত ভক্তদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হবে – আর তারপর ৬ জন রাজ্যের মন্ত্রীর উপস্থিতিতে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গান স্যালুট দিয়ে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। বড়মাকে হারিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শোকে বিহ্বল হয়ে পড়বেন অগণিত মতুয়া ভক্ত – তাই কোনো রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসনের তরফে সব ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানা গেছে।

বড়মার স্বাস্থ্য নিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ গত কদিন ধরেই গভীর উদ্বেগে ছিলেন। যেভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে – তাতে দুঃসংবাদের আশঙ্কা করছিলেন অনেকেই। গতকাল সকাল থেকেই বড়মার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে – এমনকি ভোরের দিক থেকেই তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়। দুটি ফুসফুসেই বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়া মেলে – যত সময় গড়ায়, শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমছিল। ওষুধ দিয়েও রক্তচাপ ঠিক রাখা যাচ্ছিল না। অবশেষে, অগণিত মতুয়া ভক্তকে কাঁদিয়ে রাত ৮ টা ৫২ মিনিটে মহাপ্রয়াণের পথে যাত্রা করলেন সকলের শ্রদ্ধার-ভক্তির বড়মা বীণাপাণিদেবী।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!