এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > ধর্মঘট সমর্থনকারী ব্যাঙ্ককর্মীদের “CPI(M)-র চামচা” বলে কটাক্ষ তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীর, জোর বিতর্ক রাজ্য জুড়ে

ধর্মঘট সমর্থনকারী ব্যাঙ্ককর্মীদের “CPI(M)-র চামচা” বলে কটাক্ষ তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীর, জোর বিতর্ক রাজ্য জুড়ে


সমর্থনকারী ব্যাঙ্ককর্মীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বনধের দিন সকালে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সামনে গিয়ে দেখেন ব্যাঙ্ক বন্ধ। এবং ব্যাঙ্কের সামনে কয়েক গ্রাহক ব্যাঙ্কে খোলার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এই দৃশ্য দেখে মেজাজ বিগড়ে যায় মন্ত্রীর। প্রকাশ্যেই বনধ সমর্থনকারীদ ব্যাঙ্ক কর্মীদের ‘CPI(M)-র চামচা’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি।

প্রসঙ্গত,বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন সহ দেশের বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা আটচল্লিশ ঘণ্টার হরতালে মিশ্র প্রভাব পড়েছে গোটা রাজ্যে। অন্যান্য জেলার মতো কোচবিহারেও বনধের কিছুটা প্রভাব পড়েছে। হরতালের দুদিন অন্যান্য দিনের তুলনায় ছবিটা অন্য ছিল কোচবিহারে। দোকান পাট কম খুলেছে। রাস্তাঘাট অন্যান্য দিনের তুলনায় ফাঁকা।

রাস্তায় গাড়ি চলাচলাও কম লক্ষ্য করা গিয়েছে। এছাড়া দফায় দফায় মিছিলে পথে নামতে দেখা গিয়েছে বাম কর্মী সমর্থকদের। কোনো কোনো জায়গায় বনধ সমর্থনকারীদের সরাসরি ধস্তাধস্তিতে জড়িয়েছে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে। বনধ চলাকালীন জেলায় অটো,বাস,টোটে ভাঙচুরের মতো ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলায় উত্তেজনাও ছড়িয়েছে।

এই প্রেক্ষিতে এদিন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সাগরদিঘির শাখায় যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সেখাও বনধের প্রভাব পড়তে দেখে বেজায় চটে যান তিনি। ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন,”এদিকে মানুষ হয়রানি হচ্ছে,আর ব্যাঙ্ককর্মীরা CPI(M)-র চামচাগিরি করছে।”

 

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এর পাশাপাশি বামেদের ডাকা এই বনধের বিরোধীতা করে তিনি বলেন,সাধারণ মানুষ কখনোই কোনো বনধকে সমর্থন করে না। আসলে বনধ হওয়া মানে কাজের ক্ষতি। বিরোধীরা উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিতেই এই বনধ ডেকেছে। আসলে বামেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নটাই সহ্য করতে পারছে না। তাই বিনা কারণে রাজ্যে অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি করতে দুদিনের বনধ ডেকেছে।

বনধের জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কতগুলো গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি এসপিকে,এমনটাই জানালেন এদিন। পাশাপাশি তিনি এটাও বললেন,বিরোধীরা যতোই তৃণমূলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করুক না কেন,তাঁরা কখনোই সফল হবে না। কারণ রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সমর্থন করেন। আর এর প্রমাণ দিয়ে দেবে ১৯’এর লোকসভা ভোট।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!