এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বাংলার বুকে হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের ‘যাত্রা’ আটকাল কংগ্রেস! তীব্র শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

বাংলার বুকে হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের ‘যাত্রা’ আটকাল কংগ্রেস! তীব্র শোরগোল রাজনৈতিক মহলে


2019 এর লোকসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপি তুলনামূলকভাবে যথেষ্ট ভালো ফল করে তৃণমূলের থেকে। তৃণমূল যেখানে পশ্চিমবঙ্গের 42 টি আসনের মধ্যে 22 টি আসন দখল করে, সেখানে বিজেপি 18 টি আসন দখল করে। উল্লেখ্য, 5 বছর আগে লোকসভা ভোটে বিজেপির আসন সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের ছিল দুই। সাংগঠনিক ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে বিজেপি তাঁদের জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। এবার তাঁদের লক্ষ্য, সামনে নির্বাচনগুলি জেতার।

পশ্চিমবঙ্গে পরপর এখন পুরসভা নির্বাচন, বিধানসভা উপনির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই জনমত গড়তে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছে পদ্ম শিবির। সেই কর্মসূচির একটি অংশ হলো সংকল্প যাত্রা। আর এই সংকল্প যাত্রাকে ঘিরে রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির শ্রীরামপুর।

এদিন লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শ্রীরামপুরের সংকল্প যাত্রা বের হয়। কিন্তু সেই সংকল্প যাত্রাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যদিও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আধঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং সংকল্প যাত্রা নিয়ে এগিয়ে যান হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

মহাত্মা গান্ধীর দেড়শ তম জন্মবার্ষিকীতে অক্টোবরজুড়ে দেশজুড়ে সংকল্প যাত্রার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। অন্যান্য এই রাজ্য সংকল্প যাত্রা চলছে। এই সংকল্প যাত্রার লক্ষ্য হলো, মহাত্মা গান্ধীকে যেভাবে কংগ্রেস নিজেদের নেতা বলে প্রচার করে তা ভেঙে গান্ধীজিকে দেশের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। প্রতিটি জায়গায় স্থানীয় সাংসদের ওপর এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সেই অনুযায়ী, হুগলির সংকল্প যাত্রা কর্মসুচী রবিবার সকাল 11 টা নাগাদ শ্রীরামপুরে জি টি রোড সংলগ্ন বটতলা থেকে শুরু করেন হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সে সময় ওই একই এলাকায় সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় কান্ড ঘিরে অবরোধ চলছিল কংগ্রেসের দলীয় নেতৃত্বের তরফ থেকে। অভিযোগ, লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দেখেও কংগ্রেস নেতারা রাস্তা ছেড়ে দেননি। এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়ও সৌজন্যবশত কংগ্রেস কর্মীদের অবরোধ তুলতে বলেননি।

কিন্তু সংকল্প যাত্রা কিছু সময়ের মধ্যেই বটতলার কাছে থমকে যাওয়ায় রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। তাঁরাই কংগ্রেস কর্মীদের অবরোধ তুলে নিতে বলেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং হাতাহাতি, ধস্তাধস্তিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই 10-15 মিনিট কেটে যায়। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। পুলিশের চাপের মুখে সেসময় কংগ্রেস অবরোধ তুলে নেয়। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এরপর বিজেপির সংকল্প যাত্রা ক্রমশ এগিয়ে যায় কোন্নগরের দিকে।

পুরো বিষয়টির ওপর নজর রেখে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে যেভাবে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি সাংগঠনিক ক্ষমতায় আসন সংখ্যা বাড়িয়েছে, তা আগামী দিনের নির্বাচনগুলিতে আরো স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি শিবিরের দাবি, 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা দখল করে শাসক দলকে সমূলে উৎপাটন করাই তাঁদের লক্ষ্য। সেক্ষেত্রে রাজ্য বিজেপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে জনমত গঠন করার জন্য। আপাতত 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের দিকে লক্ষ্য রেখেছে পশ্চিমবঙ্গের সবকটি রাজনৈতিক দলই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!