এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাগরি মার্কেটের দাদাগিরির অভিযোগ,ক্ষোভে ফুটছেন ব্যবসায়ীরা

বাগরি মার্কেটের দাদাগিরির অভিযোগ,ক্ষোভে ফুটছেন ব্যবসায়ীরা

শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অগ্নিকান্ড হলে পরিস্থিতি যে কতোটা ভয়ানক হয়ে উঠতে পারে তার প্রকৃষ্ট নজির রেখে গেল বাগরি মার্কেট। বিশ্বকর্মা পুজোর মরশুমে যেখানে তুমুল ব্যস্ততা থাকার কথা, সেই স্থানেই আজ শুধু হতাশা, হাহাকার আর কান্নার রোল শোনা যাচ্ছে। সামনেই আবার দুর্গা পুজো। এই সময় অন্যান্য বছর রমরমিয়ে কেনা বেচা চলত দোকানগুলোতে। আর এবছর মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। বিধ্বংসী আগুনে শেষ করে দিয়েছে সব। মালপত্র পুড়ে ছাই। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা ধরা না ধরার সমান। আগুন লাগার ৩৬ ঘন্টা পেরোলেও এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমসিম খাচ্ছে দমকল কর্মীরা। নতুন করে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। ভুক্তোভোগীরা অনেকেই এরজন্য প্রশাসনকে দায়ী করেছেন। আতঙ্কিত এলাকাবাসী। এদিকে এতো ক্ষতির পর কবে আবার ফের পসরা গুছিয়ে বসতে পারবে,তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে ব্যবসায়ীদের।

এরইমধ্যে,অগ্নিকান্ডের জেরে বাগরি মার্কেটের অন্যতম অংশীদার রাধা বাগরির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সর্বহারা ব্যবসায়ীরা। সরাসরি অন্তর্ঘাতের অভিযোগে সরব তাঁরা। তাঁদের দাবী,বহুদিন এই স্থলে ব্যবসা করলেও রাধা বাগরির মুখই কেউ দেখেননি তাঁরা। বাগরির দলবলেরাই দাদাগিরি চালাতো ওখানে। তাঁরা সবথেকে বেশি সমস্যা তৈরি করতো বিদ্যুৎ- এর টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে। এ প্রসঙ্গে বাগরি মার্কেটের এক মিষ্টি ব্যবসায়ী রণিত সাহা অভিযোগ জানালেন,CESC-র নির্ধারিত বিদ্যুৎ মাশুল প্রতি ইউনিট পিছু যেখানে ১১ টাকা ৬০ পয়সা, সেখানে তাঁদের দিতে হত ১৩ টাকা ৬০ পয়সা। এমনকী একদিন দেরি হলে ২৫ টাকা বাড়তি দিতে হত। শুধু তাই নয়, কখনও কখনও ১০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা আদায় করতো তাঁরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

রণিত বাবুর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের একাংশও অভিযোগে জানালেন,নতুন নতুন সার্কুলার তৈরি করতো রোজ রাধা বাগরির দলবলেরা। এবং সেই নিত্য নতুন নিয়ম মানতেও বাধ্য করা হত তাদের। যে স্থান ছিল তাঁদের দাদাগিরির অন্যতম আখড়া, সেই স্থানে অগ্নিকান্ডের পর তাদের টিকি টিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কেন? প্রশ্ন তোলে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। বাগরি মার্কেট তাঁদের মায়ের মতো। এখান থেকেই তাঁদের রুজিরোজগার চলে। সেই স্থানই গ্রাস করে নিল শিরিকি এবং অংশীদারী বিরোধী,দাবী ভুক্তোভোগী ব্যবসায়ীদের। কতদিন পর বাগরি মার্কেটের স্বাভাবিকতা ফিরবে,সেই আশায় দিন গুনছেন তাঁরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!