এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ‘জতুগৃহ’ বাগরিকে দেড় মাস আগে ছাড়পত্র দিয়েছিল কে? বাম-কংগ্রেসের তীব্র চাপ রাজ্য সরকারকে

‘জতুগৃহ’ বাগরিকে দেড় মাস আগে ছাড়পত্র দিয়েছিল কে? বাম-কংগ্রেসের তীব্র চাপ রাজ্য সরকারকে

কদিন আগেই মাঝেরহাটে ব্রীজ ভাঙলে রাজ্যের তৃনমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেছিলেন বাম, কংগ্রেস এবং বিজেপির মত বিরোধী দলগুলি। আর এবারে ঠিক সেই একই রেশ ধরে সদ্য বাগড়ি মার্কেটের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিরোধীতার সুর আরও চড়া করল সেই কংগ্রেস এবং বামদলগুলি। এই বাগড়ি মার্কেটে অগ্নিকান্ডের পেছনে ঠিক কার দায় রয়েছে সেই নিয়ে বর্তমানে শাসক বিরোধী তীব্র চাপানউতোরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

বস্তুত যেদিন এই বাগড়ি মার্কেটে আগুন লাগে সেদেনই পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী বিদেশে পাড়ি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী এই অগ্নিকান্ডের তদন্তের আগেই তিনি পুরসভা এবং প্রশাসনকে ক্লিনচিটও দেন বলে অভিযোগ বিরোধীদের। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সেই প্রসঙ্গে একটি  সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারকে এই বাগড়ি মার্কেটের অগ্নিকান্ড নিয়ে ভর্ৎসনা করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এদিন তিনি মাস দেড়েক আগে এক উচ্চপর্যায়ের কমিটি যেভাবে এই বাগড়ি মার্কেটকে ছাড়পত্র দিয়েছিল তার পরেও কি করে আগুন লাগে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি এই ব্যাপারে দমকলমন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়েরও পদত্যাগের দাবি জানান তিনি। পরে মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কটাক্ষ করে বাম চেয়ারম্যান বলেন, “রাজ্যের সব কাজ এখন তাঁর অনুপ্রেরনা ছাড়া হয় না। তাই এই কমিটির ছাড়পত্র দেওয়ার পেছনে মুখ্যমন্ত্রীর কোনো ভূমিকা ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখতে হবে। মার্কেট যখন জ্বলছে তখন উনি বিদেশে বসে পিয়ানো বাজাচ্ছেন।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে এই ঘটনায় রাজ্যের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে মাঠে নেমে পড়েছে কংগ্রেসও। জানা গেছে, এদিন সেই ভস্মীভূত বাগড়ি মার্কেট পরিদর্শন করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁকে ঘিরে ব্যাবসায়ীদের একাংশ এই আগুন না নেভায় নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন। পরে প্রদেশ সভাপতি বলেন, “রাজ্যে লুটকে ছুট দেওয়ার বদলে কোথাও ব্রীজ ভাঙছে, কোথাও আগুন জলছে আবার কোথাও নৌকা ডুবছে। এই প্রশাসন দুর্নীতিতে ভরে গেছে।” পাশাপাশি দেড় মাসের আগের কমিটির ছাড়পত্র নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন তিনি। অধীর চৌধুরী বলেন, “নিজের দোষ ঢাকতে মুখ্যমন্ত্রী অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপান। এটা ওনার চিরাচরিত অভ্যাস। বিদেশে গিয়ে বলছেন এখানে গুন্ডামি হয়েছে।” সব মিলিয়ে এবার পুলিশ, প্রশাসন, সরকারকে একযোগে কটাক্ষ করে বাগড়ি মার্কেটের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সঠিক তদন্তের দাবেতে সরব বিরোধী দল বাম এবং কংগ্রেস।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!