এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মন্ত্রী বনাম মেয়রের লড়াইকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়াল শিল্পতালুকে

মন্ত্রী বনাম মেয়রের লড়াইকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়াল শিল্পতালুকে

আসানসোলে লোকসভা ভোটের দ্বৈরথ শুরু। মন্ত্রী বনাম মেয়রের লড়াইকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়াল শিল্পতালুকে। মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির ‘পৌরুষ’কে নিয়ে কটাক্ষ করে নজরে এলেন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। সামনের লোকসভা ভোটে আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এই মেয়রের সঙ্গে বাবুল সুপ্রিয়র রাজনৈতিক তর্জা আগেও শোরগোল ফেলেছে রাজনৈতিকমহলে।

এবার ভোটযুদ্ধের ময়দানে সেই মেয়রের সম্মুখীন হওয়ার ইঙ্গিত পেয়ে শালীনতার সীমা অতিক্রম করে একটি বেঁফাস মন্তব্য করে ফেললেন বাবুল সুপ্রিয়। গতকাল আসালসোলের একটি সভা থেকে মেয়রকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ করে বললেন,”ভোটে দাঁড়াতে হলে, ‘মর্দ’ হওয়া দরকার। আমি লেখাপড়া জানা শিক্ষিত, সভ্য মানুষ। জঘন্য রাজনীতির পথে হাঁটতে পারব না।” রাজ্যবিজেপির এই প্রথম সারির নেতা দাবীতে আরো জানালেন,ভোটে তাঁর প্রতিপক্ষ যেই হোন না কেন,তিনি ভয় পান না।

২০১৪ সালের কথা। বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলের সাংসদের পাশাপাশি মন্ত্রীত্বের দায়িত্বও পেয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে,২০১৫ সাল নাগাদ পুর নির্বাচনে জিতে আসানসোলের মেয়র হয়েছিলেন তৃণমূলের অভিজ্ঞ এবং ভরসাযোগ্য কর্মী জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

এরপর থেকেই নানান ইস্যুকে কেন্দ্র করে মেয়র এবং মন্ত্রীর মনোমালিন্য প্রকাশ্যে আসে। তাঁদের ঠান্ডা লড়াইয়ের অধ্যায়ে যে দাড়ি পড়েনি সেটার প্রমাণ দিয়ে দিলেন দুজনই। বাবুল সুপ্রিয় প্রথমে মেয়রের ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে কটাক্ষ করলেও চুপ করে বসে থাকেননি মেয়রও। পাল্টা জবাবে তিনি জানান,’ভোটে দাঁড়ানোর জন্য মর্দ বা পুরুষেরই যদি প্রয়োজন, তাহলে বাবুল হয়তো আমার উদ্দেশে একথা বলেননি।

বলেছেন স্মৃতি ইরানি, সুষমা স্বরাজ, উমা ভারতীদের উদ্দেশে। হয়তো বলতে চেয়েছেন যে মহিলারা নন, পুরুষরাই সাংসদ পদে উপযুক্ত। এর জবাব জিতে পারবেন বিজেপির মহিলা সাংসদরাই।’ মেয়রের এই বিতর্ক লোকসভা ভোটের মুখে বিতর্কে আরো অক্সিজেন দিল।

প্রসঙ্গত,গতকাল আসানসোলের ডুরান্ড হলে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার হল। সেই অনুষ্ঠানে রেলকর্মী ডিআরএম ও পড়ুয়াদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ও। এই অনুস্থানে বক্তব্য রাখতে এসে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার ব্যাপারেও মিডিয়াকে প্রতিক্রিয়া দেন বাবুল।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে এতেবার অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়া পসঙ্গে গর্জে উঠে মন্ত্রী জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর সভা আটকানো যায় না। কারও ক্ষমতা নেই বাংলার বুকে মোদিজির সভা আটকে দেবে।’ প্রসঙ্গত,লোকসভা ভোটকে টার্গেট করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের চাঙ্গা করতেই বাংলায় সভা করতে আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফ থেকে সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোনো না কোনো কারণে সভার সময়সূচি বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় সভাস্থলকে ঘিরেও নানা বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে বাংলায় বিজেপির ভবিষ্যৎ কী তা নিয়ে দফায় দফায় প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে রাজ্য বিজেপির হেভিওয়েটদের। এদিন আসানসোলের সাংসদকেও প্রধানমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনিও অন্যান্যদের মতো এরজন্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনকেই দায়ী করলেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!