এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > আয়ুশ নিয়ে কি ক্রমেই আস্থা হারাচ্ছেন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা? নতুন তথ্যে বাড়ছে জল্পনা

আয়ুশ নিয়ে কি ক্রমেই আস্থা হারাচ্ছেন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা? নতুন তথ্যে বাড়ছে জল্পনা

এবার আয়ুশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও স্নাতক স্তরের একাধিক আসন ফাঁকা পড়ে থাকায় মাথায় হাত স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলায় অনুমোদন প্রাপ্ত মোট 13 টি আয়ুশ মেডিকেল কলেজ রয়েছে। যার মধ্যে চারটি রাজ্য সরকারি হোমিওপ্যাথিক কলেজ, ছটি বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক কলেজ, একটি সরকারি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ, একটি বেসরকারি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ এবং একটি বেসরকারি ইউনানি মেডিকেল কলেজ।

জানা গেছে, বহুবার এই কলেজগুলির আসন সংখ্যা পূরণের জন্য কাউন্সেলিং করা হলেও এখনও পর্যন্ত সেখানে সাড়ে 350 টিরও বেশি আসন ফাকা অবস্থায় রয়েছে। আর এই দুর্দশা সবথেকে বেশি বেসরকারি আয়ুশ মেডিকেল কলেজেই। সূত্রের খবর, সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে এক সমীক্ষায় এরকমই তথ্য উঠে এসেছে। কিন্তু কি সেই তথ্য?

জানা গেছে, ক্যালকাটা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি, ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি, মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনটি এবং মেদিনীপুর হোমিও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারটি আসন ফাঁকা রয়েছে এই আয়ুশের স্নাতক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। কিন্তু সরকারি কলেজগুলিতে এত কম আসন পড়ে থাকলেও বেসরকারি কলেজগুলিতে শূন্য আসনের সংখ্যা দেখে অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যাবে।

সূত্রের খবর, জে বি রায় বাদে রাজ্যের বেসরকারি সমস্ত আয়ুর্বেদিক কলেজে ফাঁকা আসনের সংখ্যা 37 টি। তবে কোথাও কোথাও তা 41,44 বা 55 র মাত্রাও ছাড়িয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে সেই শূন্য আসনগুলিকে ভরাট করতে নতুন করে ফের কাউন্সেলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। পাশাপাশি সেই কাউন্সেলিংয়ে নম্বরের ক্ষেত্রেও শিথিল করা হয়েছে নিয়ম।

জানা গেছে, কাউন্সেলিংয়ে অংশগ্রহণকারী সাধারন ছাত্রছাত্রীদের নিটে ন্যূনতম 35, তপশিলি জাতি ও উপজাতি ভুক্তদের 25, সাধারন শ্রেণীভুক্ত প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের 30, তপশিলি জাতি-উপজাতি শ্রেণীভুক্ত প্রতিবন্ধী ছাত্রদের ন্যূনতম 25 পারসেন্টাইল পেতে হবে। কিছু ঠিক কবে হবে এই কাউন্সিলিং?

সূত্রের খবর, আগামী 12 ই নভেম্বর ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের ই কাউন্সেলিং এর জন্য সকাল 11 টার মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনে উপস্থিত থাকতে হবে। কিন্তু যেখানে এই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলায় আয়ুশ পরিকাঠামো বাড়াতে জোর দেওয়া হচ্ছে ঠিক সেখানেই সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজগুলিতে আসন না ভরায় চিন্তায় রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কেন এতো আসন ফাঁকা?

এদিন এ প্রসঙ্গে ক্যালকাটা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ রজত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের মোটে তিনটি আসন খালি আছে।” কিন্তু রজতবাবু এ কথা বললেও বীরভূমের বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ তপন কুমার চট্টোপাধ্যায়ের গলায় শোনা যাচ্ছে অন্য সুর।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তিনি বলেন, “আমাদের 56 টি আসনই এখনো ফাঁকা রয়েছে। এমন পরিস্থিতি চললে সমস্ত বেসরকারি আয়ুশ মেডিকেল কলেজই বন্ধ করে দিতে হবে।” তবে আগামী 12 ই নভেম্বর পরবর্তী কাউন্সেলিংয়ে ঠিক কি হয়? আদৌ শূন্য থাকা আসল গুলো পূরণ হয় কিনা! এখন সেদিকেই তাকিয়ে এই বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গুলি থেকে শুরু করে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!