এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আসানসোলে রমরমিয়ে অবৈধ কয়লা খনন! দুর্নীতি ধরতে আসরে কেন্দ্রীয় সংস্থা?

আসানসোলে রমরমিয়ে অবৈধ কয়লা খনন! দুর্নীতি ধরতে আসরে কেন্দ্রীয় সংস্থা?

 

বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ কয়লাখনির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তবে মাঝে সেই অভিযোগের বহর কিছুটা হলেও কমেছিল। কিন্তু এবার ফের এই অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ উঠতে শুরু করল। সূত্রের খবর, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সংস্থা “ভারত কুকিং কোল লিমিটেড” কুলটি এলাকায় কয়লা চুরি নিয়ে পুলিশ কমিশনারকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। যে ঘটনায় এখন প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

বস্তুত, গত 17 সেপ্টেম্বর এই কেন্দ্রীয় সংস্থার পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনার সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের একটি লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। যেখানে দামাগড়িয়া কোলিয়ারির বিভিন্ন প্যাচ থেকে অবৈধভাবে কয়লাখনির কাজ চলছে বলে দাবি করা হয়। জানা যায়, গত 15 নভেম্বর বড়িয়া এলাকায় বড় মাপের ধস নামে। যেখানে ভিন রাজ্যের বেশকিছু শ্রমিক চাপা পড়ে বলে অভিযোগ উঠলেও পুলিশের তরফে সেই অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়।

এদিকে এই ঘটনার পরই এক ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে খবর। আর প্রতিনিয়ত সাম্প্রতিককালে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকায় এলাকায় প্রবর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটছে! তাহলে কি এলাকায় নিরাপত্তার অভাব রয়েছে! তা নিয়েও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

 

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল সহ বিভিন্ন জায়গার কয়লা খনি পূর্ব ভারতের অর্থনীতির অন্যতম মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সম্প্রতি এই জেলার নানা জায়গায় কয়লা কারবারে নাম লিখিয়ে প্রথম থেকেই এলাকার কিছু যুবক অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল। তবে বারবার অভিযোগ উঠলেও পুলিশ প্রশাসনের তরফে তেমন কোনো সক্রিয় পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

আর এই পরিস্থিতিতে বিসিসিএলের পক্ষ থেকে জেলার পুলিশ প্রশাসনকে একটি চিঠি দেওয়ায় এখানে যে কয়লার অবৈধ খনন প্রবল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রায় সকলেই। এদিন এই প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিংকে ফোন করলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে এই ব্যাপারে বিসিসিএলের ছাঁচ ভিক্টোরিয়া এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শংকর দাস বলেন, “কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের অধীনে থাকা দামাগড়িয়া কোলিয়ারি থেকে বৈধভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে। কিন্তু ওই এলাকায় ব্যাপকভাবে অবৈধ খনন চলছে। বিষয়টি নিয়ে পুজোর আগেই আমরা পুলিশ কমিশনার সহ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম।”

কিন্তু আগেভাগে জানা সত্ত্বেও কেন পুলিশ পদক্ষেপ গ্রহণ করল না! তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। আর গোদের ওপর বিষফোঁড়া হিসেবে এই দুর্নীতি ধরার জন্য এখন পুলিশ প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় সংস্থার পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়ায় সেই পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা বিরাট প্রশ্নচিহ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দিল বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!