এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > এক মঞ্চে অরূপ বিশ্বাস ও শ্যামল চক্রবর্তী – অবিশ্বাস্য এই ঘটনার পর কি হল?

এক মঞ্চে অরূপ বিশ্বাস ও শ্যামল চক্রবর্তী – অবিশ্বাস্য এই ঘটনার পর কি হল?

ভারতে ব্যাঙ্ক জাতীয়তাকরনের 50 বছরে এই ব্যাবস্থাকে বেসরকারি উদ্যোগের দিকে ঠেলে দেওয়া নিয়ে এর বিরোধীতা করে শনিবার ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠনসমূহ যৌথ মঞ্চ একটি প্রকাশ্য জনসভার আয়োজন করে। মূলত কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধেই এই জনসভা বলে জানা গিয়েছে। তবে এতপর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও মঞ্চে বক্তাদের তালিকায় থাকা রাজনীতিতে একে অপরের প্রবল যুযুধান সিপিএমের শ্যামল চক্রবর্তী ও তৃনমূলের মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের উপস্থিতিই যেন এই সভাকে আলাদা মাত্রা এনে দিল।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

জানা গেছে, যে সংগঠনের উদ্যোগে এই মঞ্চ তৈরি করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগা হয়েছিল সেখানে বামেদের আধিপত্য বেশি থাকলেও সংগঠনের কর্তারা এই আন্দোলনে বিজেপি বিরোধী সব দলকেই পাশে পেতে চেয়েছিলেন। আর তাইতো এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। আর তাই এদিন মুখ্যমন্ত্রীর দূত হিসাবে এদিনের সভাই হাজির হন রাজ্যের মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট তৃনমূল নেতা অরুপ বিশ্বাস। মঞ্চে তখন বসে আছেন সিপিএমের সিটুর শ্যামল চক্রবর্তী, ফরওয়ার্ড ব্লকের দেবব্রত বিশ্বাসেরা। তৃনমূলের অরুপ বিশ্বাস মঞ্চ পৌছোতেই রাজনীতিতে প্রবল বিরোধী বাম নেতা শ্যামল চক্রবর্তীর পাশেই তাঁকে বসতে দেওয়া হয়।

দুজনের মধ্যে বেশকিছুক্ষন সৌজন্যমূলক কথাবার্তাও হয়। তবে দুদলের কেউই জানতেন না যে এ সভায় কে আসবেন! তাই আচমকা দুজন দুজনকে দেখে হতবাক। এদিকে এদিন প্রথমে বক্তশ্য রাখেন তৃনমূলের অরুপ বিশ্বাস। গলায় মোদী বিরোধীতার সুর থাকলেও বাম নেতা শ্যামল চক্রবর্তীল দলকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি। এদিন অরুপ বিশ্বাস বলেন, “কেন্দ্রবিরোধী আন্দোলনে গোটা দেশে এখন মমতা ব্যানার্জীই প্রধান মুখ। এই যে এইখানে সিপিএমের শ্যামলদা আছেন ওনার দলকে আমরা বারেবারে বলেছি, বিজেপিকে শক্তিশালী না করে নিজেদের পার্টিকে বাঁচান। তাহলে এই মোদীকে সরানো আরও সহজ হবে।”

অন্যদিকে প্রবল বিরোধী সিপিএম এপ্রসঙ্গে জবাব দেবে না তা কী হয়! এদিন অরুপ বিশ্বাস মঞ্চ ছাড়ার পরে তৃনমূলকে কটাক্ষ করে সিপিএমের শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, “এই ঐক্যবদ্ধ মঞ্চে আমি বিতর্ক তৈরি করতে যাব না। তবে বিজেপির হাত কারা শক্ত করেছে তা সবাই জানে। ত্রিপুরিয় আমাদেরকে হারাতে গোটা তৃনমূলই বিজেপিতে ভিড়ে গেল। ওখানে এখন এদের বাতি দেওয়ারও কেউ নেই।” রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজনীতিতে অহিনকুল সম্পর্ক বাম ও তৃনমূলের সেনাপতিরা একমঞ্চে এলেন; বক্তব্য রাখলেন, একে অন্যকে খোঁচাও দিলেন! আর শেষে বিজেপিকে সরাতে ঐক্যবদ্ধতার বার্তাও দিলেন প্রত্যেকে। এখন দেখার 2019 র লোকসভা ভোটের আগে বাংলার এই রাজনৈতিক চিত্রের কোনোরূপ hjuপ্রভাব দেশীয় রাজনীতিতে পড়ে কি না!

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!