এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > শ্লীলতাহানির অভিযোগ করে শ্রীঘরে ছাত্রীর বাবা, অভিযুক্ত বাইরে ঘুরছে বহাল তবিয়তে!

শ্লীলতাহানির অভিযোগ করে শ্রীঘরে ছাত্রীর বাবা, অভিযুক্ত বাইরে ঘুরছে বহাল তবিয়তে!

এ যেন সত্যিই উলটপুরান। সুকুমার রায় তাঁর কবিতায় লিখেছিলেন, “শিবঠাকুরের আপন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে, কেউ যদি যায় পিছলে পড়ে, প্যায়দা এসে পাকড়ে ধরে, কাজির কাছে হয় বিচার।” এক্ষেত্রে বিচার হয়নি এমনটা বলা যাবে না। তবে যার বিচার হওয়াদরকার সেই অভিযুক্তই ছাড়পত্র পেয়ে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আর দোষী হিসাবে জেলের ঘানি টানতে হচ্ছে এক নিগৃহীতা মেয়ের বাবাকে।

ঘটনার সূত্রপাত, দক্ষিন দিনাজপুরের হিলির পাঞ্জুল গ্রামের বাসিন্দা এক স্কুল ছাত্রীকে কদিন আগেই শ্লীলতাহানি ও হুমকি দেন এলাকার এক দুস্কৃতি। এরপর তা পুলিশে জানালে সেই দুস্কৃতীর টানা হুমকির মুখে পড়তে হয় সেই স্কুলছাত্রীকে। বাধ্য হয়ে ঘরবন্দি থাকা দুই মেয়েকে নিয়ে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় অন্যত্র আশ্রয় নেন কিশোরীর বাবা মা। অভিযোগ, এরপর হঠাৎই সেই নিগৃহীতার বাবাকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে এদিন সেই কিশোরীর মা বলেন, “মূল অভিযুক্ত গ্রামে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশকে জানিয়েও তার কোনো সুরাহা মেলেনি। উল্টে আমার স্বামীকেই গ্রেপ্তার করা হল। তবে এই নিগৃহীতার বাবাকে গ্রেপ্তারীর কারন হিসাবে স্থানীয় এক ব্যাক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

অন্যদিকে নিগৃহীতার পরিবারের দাবি অনুযায়ী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়নি এই কথাকে মিথ্যে বলে হিলি থানার ওসি তাসি ছিরিং শেরপা বলেন, “একদিকে ছাত্রীর বাবাকে যেমন এক ব্যাক্তিকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ঠিক তেমনি সেই ছাত্রীর বাড়িতে ভাঙচুরের জন্য বিমল দাস নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” তবে স্থানীয় সূত্রের খবর, শ্লীলতাহানি ও হুমকির অভিযোগে মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। আর এরই মাঝে নিগৃহীতার বাবাকেই গ্রেপ্তার করায় উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!