এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে স্থানীয় স্তরেই আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বড় চক্রের পর্দা ফাঁস

রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে স্থানীয় স্তরেই আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বড় চক্রের পর্দা ফাঁস

এবার বন্দুক তৈরি আটকাতে উদ্যোগী হল জেলা প্রশাসন। সূত্রের খবর, রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারিরা লেদ মেশিনে অস্ত্র তৈরির জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে। আর এতেই প্রবল চিন্তার ভাঁজ জেলার প্রশাসনিক মহলে। কিন্তু দুস্কৃতীদের দমাতে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না, তাই পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে পদক্ষেপও।

সূত্রের খবর, বিহারের মুঙ্গের জেলা থেকেই এই ওয়ান শাটার, দেশি পিস্তল, রিভলভার, পাইপগানের মত সব ধরনের বন্দুক রয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। কদিন অগেই বিহারে এক বেআইনি অস্ত্র কারখানার বিরুদ্ধে সেই রাজ্যের পুলিশ অভিযান চালালে ওই অস্ত্রকারবারিরা বিভিন্ন জায়গায় চলে যেতে শুরু করে। যার জেরে এই অস্ত্রকারবারীদের আটকাতে আন্তঃরাজ্য সীমানায় চলে পুলিশি প্রহরাও। কিন্তু তা সত্তেও এই রাজ্যের লেদ মেশিনে সেই বন্দুক তৈরির খবর পেয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে বাঁকুড়ার বিষ্নুপুর থেকে পাইপগান এবং কার্তুজ সহ তিন দুস্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

পুলিশের দাবি, ধৃতরা বিহার থেকেই এইসব অস্ত্র নিয়ে এসেছে। এমনকী দিন কয়েক আগে সোনামুখীর এক শিক্ষককে কয়েকজন ছাত্র পিস্তল দেখায়। তারপর সেই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় যে ওই অস্ত্রটিও বিহারের।  তাই অন্য রাজ্য থেকে কীভাবে এই অস্ত্র রাজ্যে আসছে তা নিয়ে তদন্তে নামল এ রাজ্যের প্রশাসনও। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে জেলার ওসি এবং আইসিদের সতর্ক করার পাশাপাশি থানা এলাকার প্রতিটি অঞ্চলের দ্বায়িত্বে একজন আধিকারিককে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ারদেরকেও কড়া নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। এমনকী এই ব্যাপারে যদি জেলার কোনো থানা টালবাহানা করে তাহলে সেই থানার আধিকারিক, ওসি এবং আইসিকে সাসপেন্ড করা হবে বলেও জানা গেছে। তবে এখনও পর্যন্ত জেলার কোনো লেদে অস্ত্র তৈরির খবর নেই বলে এদিন জানান বাঁকুড়ার এক লেদ মেশিন মালিক সুরেশ দাস। অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ সুপার সুখেন্দু হীরা বলেন, “সিভিকরা সব লেদগুলির ওপর নজড় রাখছে। এখনও কোনো লেদেই আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি।” সব মিলিয়ে লোকসভা ভোটের আগে অস্ত্রের রমরমা রুখতে সক্রিয় বাঁকুড়া জেলার পুলিশ প্রশাসন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!