এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অনুপম হাজরাকে কাজে ফেরানোর নিদেশ আদালতের

অনুপম হাজরাকে কাজে ফেরানোর নিদেশ আদালতের

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিন্দম সিনহা’র রায়ে বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরা বিশ্বভারতীতে ফের বহাল হতে চলেছেন। এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি আদালতের নির্দেশে বললেন, “বিশ্বভারতী কাজে বাধা দিতে পারে না। কিন্তু, অনুপম হাজরার লিয়েন বিশ্বভারতী বাড়াবে কিনা, সেটা তাদের সিদ্বান্ত।” উল্লেখ্য ২০১৪ থেকে অনুপম হাজরা বোলপুরের সাংসদ পদে আসীন। পেশাগত ভাবে তিনি তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং সমাজবিদ্যা বিষয়ের বিভাগীয় প্রধান। বিশ্বভারতী বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অসম ইউনিভার্সিটি থেকে অনুপম হাজরাকে লিয়েনে নিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এরপরে ২০১৪ সালের ৭ ই জুন বিশ্বভারতী একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে অনুপম হাজরাকে EOL(এক্সট্রা অর্ডিনারি লিভ) দেয়। যার মেয়াদ ছিলো এক বছর। এই ছুটির শর্ত ছিলো আগামী এক বছরের মধ্যে অর্থাৎ ২০১৫ সালের ১ লা জুনের মধ্যে অনুপম হাজরাকে বিশ্বভারতীতে কাজে যোগদান করতে হবে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সেই কথা মতোই ২০১৫ সালের ২৮ শে মে অনুপম হাজরা কাজে যোগদান করতে গেলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়েন। কারণ ছুটিতে থাকার জন্য অনুপমবাবুর লোকসভার সচিবের কাছ থেকে NOC নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি এই শর্ত পালন করেননি। স্বভাবতই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ঐ বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালের ২ রা জুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, অনুপম হাজরা ১ জুনের মধ্যে কাজে যোগ দিতে পারেননি, তাই লিস্ট অফ দা প্রফেসর থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ২০১৫ সালের ১৩ রা অগাস্ট জয়েন্ট ডিপার্টমেন্ট অন অফিস অফ প্রফিট (১৬তম লোকসভা ) – এর ফোর্থ ডিপার্টমেন্ট থেকে জানানও হয় বিশ্বভারতীতে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। তাই চাকরিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তা সত্ত্বেও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অনুপম হাজরাকে কাজে বহাল করেনি। এদিন আদালতের নির্দেশ প্রসঙ্গে অনুপম হাজরা ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করে বললেন, “আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলাম বলেই আমাকে চাকরি থেকে সরানো হয়েছিল। হাইকোর্টের এই নির্দেশ প্রমাণ করল যে বিশ্বভারতী আমায় অবৈধভাবে সরিয়ে দিয়েছিল। কখনই আমি আইনের বাইরে কাজ করিনি আজ তা প্রমাণ হল।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!