এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আবাস যোজনায় একজনের ছবি দেখে অন্যজনকে টাকা দেওয়া নিয়ে উত্তাল অনুব্রত-গড়

আবাস যোজনায় একজনের ছবি দেখে অন্যজনকে টাকা দেওয়া নিয়ে উত্তাল অনুব্রত-গড়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বীরভূমের জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল দুর্নীতিকে কখনোই বরদাস্ত করা হবে না বলে বারে বারেই দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন। কিন্তু এবার সেই অনুব্রত মণ্ডলেরই গড় বীরভূমের মুরারই 1 ব্লকের মুরারই গ্রাম পঞ্চায়েতের ধিতরা গ্রামের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি আবাস যোজনায় বাড়ি বরাদ্দ নিয়ে ছোট বউয়ের ছবি তোলা হলেও ভাসুরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল।

জানা গেছে, এই ধিতোরা গ্রামের তিন নম্বর সংসদে পরিবার নিয়ে পৃথকভাবে বসবাস করেন নাসিমা খাতুন।এদিন তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রায় বছর খানেক আগে এই গ্রামেরই পঞ্চায়েত সদস্য ওলিউল ইসলাম কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে এসে গৃহ নির্মাণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়।

পাশাপাশি সেই বাড়ির সামনে দাঁড় করিয়ে সেই নাসিমা খাতুনের ছবিও তোলা হয়। আর তখনই সেই পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যরা বলে যায় যে, খুব শীঘ্রই তার ব্যাংক একাউন্টে বাড়ি তৈরির টাকা পাবেন তিনি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে নাসিমা খাতুনের বদলে সেই বাড়ি তৈরির টাকা ঢুকেছে তারই ভাসুর হাফিজুল শেখের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। আর যা নিয়ে এখন তৈরি হয়েছে তীব্র জটিলতা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে সেই নাসিমা খাতুন বলেন, “আমার কাগজপত্র আর ছবি তুলে নিয়ে যাওয়া হল। আর সেই বাড়ি তৈরীর টাকা পেয়ে গেল আমার ভাসুর। এটা কি করে হয়!” সত্যিই তো তাই! যার নামে বাড়ি আসার কথা হিসেব মতো তো তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই টাকা ঢুকবে! তাহলে এই ক্ষেত্রে এরকম হলো কেন?

এদিন এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ওলিউল ইসলাম বলেন, “বাড়ি অনুমোদন হয়েছে তার ভাসুর হাফিজুলের নামেই। তখন দুইভাই একসঙ্গে বসবাস করত। তাই সেই সময় বাড়িতে কাউকে না পেয়ে সেই হাফিজুলের ভাইয়ের স্ত্রীর ছবি তোলা হয়েছিল। এটাই ভুল হয়েছে। এছাড়া আর কোনো বেনিয়ম হয়নি।”

এদিকে এই প্রসঙ্গে সেই ছোট বউয়ের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় বিডিও নিশীথভাস্কর পাল বলেন, “একটি ফ্যামিলির আইডি নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে।” সব মিলিয়ে এবার খোদ অনুব্রত মণ্ডলের গড়েই সরকারি আবাস যোজনায় একজনের ছবি দেখিয়ে অন্যজন টাকা পেয়ে যাওয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!