এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > অনুব্রত-গড়ে আর সুরক্ষিত নয় দেবতার গহনা, সিভিক ভলান্টিয়ার ও সিসিটিভি দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা

অনুব্রত-গড়ে আর সুরক্ষিত নয় দেবতার গহনা, সিভিক ভলান্টিয়ার ও সিসিটিভি দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা

তন্ত্রসাধনার অন্যতম পীঠ বলে পরিচিত বীরভূম। কারণ এইখানেই রয়েছে সাধক বামাক্ষ্যাপার তারাপীঠ সহ বেশ কিছু জাগ্রত মা কালীর মন্দির। কিন্তু এবারে সেই ভগবানের ঘরেও চোরের হানায় কার্যত ঘুম ছুটেছে পুলিশ প্রশাসনের। চিনপাই থেকে আটলা, সিউড়ি মল্লারপুর থেকে বোলপুর- বীরভূম জেলার একাধিক কালী মন্দিরে এবার চুরির ঘটনায় রীতিমতো সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে প্রশাসন।

জানা গেছে, দীপাবলীর পরেরদিনই সদাইপুর থানার চিনপাইয়ে অবস্থিত মা সিদ্ধেশ্বরীর জোড়াকালীর মন্দিরের একটি ভয়াবহ চুরির ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় 10 জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে শুধু চিনপাইই নয়, কদিন আগেই সাধক বামাখ্যাপার জন্মভিটে তারাপীঠ থানার আটলায় সেই বামাক্ষ্যাপারই কালী মন্দিরে তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

আর এই ভাবে পরপর মাতৃ প্রতিমার মন্দিরে ঢুকে গয়না চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন সকলেই। সূত্রের খবর, মন্দিরে এই চৌর্যবৃত্তি আটকাতে এবারে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েনের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

একাংশের মতে, বীরভূম জেলায় এই চুরি নতুন নয়। বেশ ক’বছর আগের থেকেই শুরু হয়েছে এর রেওয়াজ। আর এ বছর তা অনেক গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা গেছে, মল্লারপুর থানার বড়তুরি গ্রামে প্রায় 400 বছরের পুরনো দুর্গা মন্দিরে এ বছর পুজোর সময় একটি চুরি হয়।

পাশাপাশি বোলপুরে শুড়িপাড়ার একটি দুর্গামন্দির এবং মল্লারপুরের রায়পাড়ার একটি দুর্গা মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের ধারণা, কালী মন্দিরে রাখা গয়নাগুলোই এখন মূল টার্গেট চোরেদের। তাই এবারে সেই মন্দিরে চুরি আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে জেলা প্রশাসন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এই প্রসঙ্গে বীরভূম জেলার পুলিশ সুপার বলেন, “মন্দিরে চুরির ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা বড়মন্দির কমিটি ও সেবাইতদের কাছে মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর আবেদন করার পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার রাখারও নির্দেশ দিচ্ছি।” সব মিলিয়ে এবার খোদ অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে একের পর এক মাতৃ মন্দিরে চুরির ঘটনায় নড়েচড়ে বসতে চলেছে জেলা প্রশাসন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!