এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > শাসকদলের ‘শুদ্ধিকরনে’ এবার বড়সড় ভূমিকা নিতে চলেছেন অনুব্রত মন্ডল

শাসকদলের ‘শুদ্ধিকরনে’ এবার বড়সড় ভূমিকা নিতে চলেছেন অনুব্রত মন্ডল

বুধবার সিউড়িতে অনুষ্ঠিত হলো তৃণমূলের একটি জনসভা। সেই সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জনগণকে বার্তা দিলেন , ”দলে যদি কোনও ঠকবাজ থাকে, তাদের দলে কোনও জায়গা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া গরীব মানুষের বাড়ি নিয়ে যদি কেউ ঠকবাজি না করে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”ফলে প্রশ্ন উঠছে তবে কি শুদ্ধিকরণ করতে চলেছেন অনুব্রত মন্ডল। নাকি শুধুই সভা জমানো কথা এটা।এদিন আহমদপুরে ছ’টি অঞ্চল ও সিউড়ি দুই ব্লকের ছ’টি অঞ্চল নিয়ে মহিলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো । সেখানে উপস্থিত অনুব্রত বাবু বললেন, ”দেশের যা অর্থনৈতিক হাল করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার তাতে বাংলায় মধ্যবিত্ত সমাজ শেষ হয়ে যাচ্ছে। হিন্দু মধ্যবিত্তের যা অবস্থা মুসলমান মধ্যবিত্তের অবস্থা একই। অথচ মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না। কিছু চাইতে পারছেন না। তাদের তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নীতি। মধ্যবিত্তের বুকে হাহাকার বাড়ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মধ্যবিত্ত, গরীবদের জন্য দিন রাত এক করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে।” এলাকার স্থানীয় মানুষদের জ্ঞাতার্থে বললেন, “এলাকার গরীব মানুষদের জন্য ছ’হাজার বাড়ি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বাড়ি নিয়ে যাতে কেউ দুর্নীতি না করে তা দেখার দায়িত্ব মহিলাদের । গত ছ’ বছরে সারা জেলায় কোনও হাহাকার নেই, কোনও অভাব নেই, কেউ মারা যায়নি। জেলাজুড়ে শুধুই উন্নয়ন। এই অবস্থায় যদি কেউ দলে ঠকবাজি করে তাদের দল থেকে বের করে দেওয়া হবে। ” ১২টি অঞ্চলের মহিলাদের উপস্থিতি দেখে উচ্ছ্বসিত অনুব্রত মণ্ডল জানান, শুধু দুটি অর্ধেক ব্লকের মহিলারা উপস্থিত হয়েছে। কোনও বিরোধী দল যদি সারা জেলা মিলিয়ে এত লোক করে দিতে পারে পঞ্চায়েতের আগে তার ঘোষিত সব জনসভা তিনি বাতিল করে দেবেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!