এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > গেরুয়া ঝড় থামাতে ভরসা সেই অনুব্রত মন্ডলই, আবার বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে স্বস্তি দিলেন নেত্রীকে

গেরুয়া ঝড় থামাতে ভরসা সেই অনুব্রত মন্ডলই, আবার বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে স্বস্তি দিলেন নেত্রীকে

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির উত্থান ঘটার পরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি তাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। একদা বীরভূম জেলা তৃণমূলের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিত হলেও এবং ভোটের ফলাফল প্রকাশে সেই জেলার দুটি লোকসভা আসনে তৃণমূল জিতলেও, বিভিন্ন জায়গায় শাসকদলের পরাজয় বা পিছিয়ে থাকা চোখে পড়ার মত। যা পরবর্তী বিধানসভা এবং পৌরসভা নির্বাচনের প্রতি লক্ষ্য রেখে গেরুয়া শিবিরকে অনেকটাই উজ্জীবিত করেছে।

আর তারপরেই গোটা বীরভূম জেলা জুড়েই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানোর জন্য রীতিমত লাইন লেগে গেছে। এমনকি, কিছুদিন আগেই বীরভূমের লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের মতো ব্যক্তিত্বরা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার তৃণমূলের বিধায়করাও পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেছেন। এমনকি দলবদলের এই প্রক্রিয়া যে খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে না তা জানিয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবিরও।

সাত দফায় যেভাবে বাংলার লোকসভা নির্বাচন হয়েছে, ঠিক একইভাবে সেই সাত দফা দলবদল প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের নেতাদের। সম্প্রতি বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অস্বস্তি বাড়িয়ে তারই এক খুড়তুতো ভাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে জল্পনা ছড়ায়। তবে সেই সমস্ত সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়ে তাঁর কোনো ভাই নেই বলে দাবি করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। আর এবার সেই অনুব্রত মণ্ডলের হাত ধরেই বিজেপি ছেড়ে প্রচুর কর্মী সমর্থক যোগ দিলেন তৃণমূলে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক আউশগ্রামে তৃণমূলের তরফ থেকে একটি কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। আর সেখানেই বিজেপি এবং সিপিএম থেকে প্রায় ৩০০ জন কর্মী-সমর্থক তৃণমূলে যোগ দেন। আর এই নবাগত কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু যেখানে দিকে দিকে তৃণমূল ছেড়ে সকলে বিজেপিতে যোগদান করছেন, সেখানে হঠাৎ উলটপুরাণ কেন! তাহলে কি এর পেছনে রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের ম্যাজিক?

এদিন এই প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি বলেন, “বিরোধী দল থেকে প্রায় ১,৬০০ কর্মী তৃণমূলে যোগদান করতেন। কিন্তু বৃষ্টির জন্য অনেকেই সভায় আসতে পারেননি। পরে তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেবেন। তবে অনেকেই উন্নয়নের জন্য এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লিখিয়েছেন।” বিশেষজ্ঞদের মতে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বরাবরই অনুব্রত মণ্ডল ভাল নম্বর পেয়ে এসেছেন তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য। কিন্তু লোকসভা ভোটে তাঁর নিজের ওয়ার্ড সহ বীরভূমের বেশ কয়েকটি জায়গায় তৃণমূল পিছিয়ে থাকায় কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন তিনি।

তবে এবার সারারাজ্যে দলবদল চললেও বীরভূম জেলায় বিরোধী দল থেকে ব্যাপক পরিমাণে কর্মী-সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় কেষ্ট প্রমাণ করে দিলেন তিনি এখনও দক্ষ সংগঠক – বলে মত অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীদের। তবে বিরোধীদের অবশ্য দাবি, আসলে এই সবই হচ্ছে ‘আইওয়াশ’। দলে থাকা কর্মীদেরই এখন নতুন করে পতাকা ধরিয়ে খবরের শিরোনামে আসতে চাইছেন তৃণমূল নেতারা। কিন্তু যে যাই বলুন না কেন, বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের হাত ধরে ফের বীরভূমে বিজেপিতে ভাঙনের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হল রাজ্য রাজনীতিতে বলে অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!