এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > বিজেপির উত্থানের তীব্র আতঙ্ক? অভিমান ভুলে ‘চিরশত্রুকে’ ঘরে ফেরার ডাক দাপুটে তৃণমূল নেতার

বিজেপির উত্থানের তীব্র আতঙ্ক? অভিমান ভুলে ‘চিরশত্রুকে’ ঘরে ফেরার ডাক দাপুটে তৃণমূল নেতার

Priyo Bandhu Media

৪২ এ ৪২ করার ডাক দিয়ে জুটেছে সাকুল্যে ২২ টি আসন, বিজেপিকে গোল্লা দেওয়ার অভিপ্রায় থাকা সত্বেও গেরুয়া শিবির ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে নিশ্বাস ফেলছে ঘাড়ের উপর। কিন্তু, রাজ্য জুড়ে বিজেপির এই বাড়বাড়ন্তের বাজারেও বীরভূম জেলার দুটি লোকসভা আসনই দলকে দিতে পেরেছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। ফলে ‘রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড় করানো’ এই নেতাকে নিয়ে গর্বের শেষ নেই তৃণমূল সমর্থকদের। কিন্তু, অশনি সংকেতটা কি খোদ অনুব্রত মন্ডলই দেখতে পাচ্ছেন?

প্রশ্নটা উঠছে – কারণ ফল বেরোনোর পরেই বীরভূম জেলার সভাপতি পদ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন একদা বীরভূমের মাটিতে বাঘ-গরুকে এক ঘাটে জল খাওয়ানো এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা। আর এবার, আরও একধাপ এগিয়ে বীরভূমের রাজনীতিতে তাঁর ‘চিরশত্রু’ বলে পরিচিত কাজল শেখকে সব মান-অভিমান ভুলে তৃণমূলে ফেরার আহ্বান জানিয়ে রাজ্য-রাজনীতিকে চমকে দিলেন অনুব্রত মন্ডল। কাজল শেখ ও অনুব্রত মন্ডলের শত্রুতা সর্বজনবিদিত।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট হওয়ার ফলে যে চাপ তৈরী হয়েছিল, সেই সময়েও কাজল শেখকে তৃণমূলের ধারেকাছে ঘেঁষতে দেন নি অনুব্রত মন্ডল। পরিণামে নানুর বিধানসভা দাঁড়িয়ে থেকে হারতে হলেও নমনীয় হওয়ার কোনো লক্ষ্মণ দেখাননি তিনি। তাহলে, হঠাৎ করে কি এমন হয়ে গেল যে – এতদিনের শত্রুতা ভুলে কাজল শেখকে বুকে টেনে নিতে চাইছেন তিনি। বীরভূমের সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিকমহল বলছে – এর উত্তর একটাই, গোটা বীরভূম জুড়ে বিজেপির তীব্র উত্থান।

দুটি লোকসভা আসন ধরে রাখা গেলেও তা এসেছে কার্যত পার্শ্ববর্তী জেলা বর্ধমানের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কেতুগ্রাম, আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট ও অনুব্রতর নিজের জেলার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত হাঁসান, নলহাটি, মুরারই-এর কল্যানে। বাকি বিধানসভাগুলি হয় বিজেপি ছিনিয়ে নিয়েছে, নাহলে ছিনিয়ে নেওয়ার মত জায়গায় চলে গেছে। এই অবস্থায় কাজল শেখের মত নেতা যদি মুকুল রায়ের হাত ধরেন, তাহলে আর দেখতে হবে না! আর তাই আপাতত লড়াই-ঝগড়া বন্ধ, একদিন যাঁদের দায়িত্ব নিয়ে দল থেকে তাড়িয়েছেন, সব ভুলে তাঁদেরই প্রাণান্তকর চেষ্টা চালাচ্ছেন তৃণমূলের অন্যতম দাপুটে এই নেতা!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!