এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > অনুব্রত মন্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎকার নিয়ে মুখ খুললেন অনুপম হাজরা, জেনে নিন

অনুব্রত মন্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎকার নিয়ে মুখ খুললেন অনুপম হাজরা, জেনে নিন

আজ যখন চতুর্থ দফার ভোটকে ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি, ঠিক তখনই বীরভূমে ভোট দিতে এসে অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেন বিজেপির অনুপম হাজরা। আর তারপরই সটান তিনি সেই অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে চলে যান। আর এরপরই অনুব্রতবাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে একসাথে বসে মাছের ঝোল এবং পোস্ত দিয়ে ভাত খান অনুব্রত মণ্ডল এবং অনুপম হাজরা। আর এই ঘটনা নিয়েই এখন সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।

শাসকদলের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে অনুপম হাজরা নাকি বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দিতে চান আর তাই অনুব্রতবাবুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। আর খুব শীঘ্রই তিনি নাকি বিজেপির প্রার্থী পদ ত্যাগ করছেন। আর এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে তৃণমূল। আর এই সমস্ত কিছুর জবাবে মুখ খুললেন অনুপম হাজরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই নিয়ে ফেসবুক লাইভ এ তিনি বলেন যে, এখন তিনি লাইভ করতে বাধ্য হচ্ছেন কেননা তৃণমূল আর সিপিআইএম একটা সৌজন্য সাক্ষাৎকার নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে। একজন তৃণমূল নেতার মা মারা গেছে আমাদের বাঙালি কালচার বলে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। আর কদিন আগে বীরভূমের জেলা সভাপতি অমনুব্রতবাবুর মা মারা গেছে তাই আজ তাঁর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তৃণমূল এই সামান্য ব্যাপারটিকে নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে যা বাঞ্চনীয় নয়। বিজেপি সৌজন্যকে সৌজন্যের জায়গায় রাখে । আর আজ সেই সৌজন্যের খাতিরেই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলাম।

এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধেও মুখ খোলেন। তিনি জানান যে, কিছু মিডিয়া আছে যারা শাসকদলের সুবিধা ভুক্ত তারা ও তৃণমূল এই নিয়ে রাজনীতি করছে। সাথেই এদিন তিনি দাবি করেন যে, তৃণমূলের মতো সন্ত্রাসের রাজনীতি করে না বিজেপি। তাদের সন্ত্রাস করে জিততে হয়না তারা সৌজন্যে বিশ্বাসী। রাজনীতিকে রাজনীতির জায়গায় আর সৌজন্যকে সৌজন্যের জায়গায় তারা রাখতে জানে। আর এর ফলে সকাল থেকে যা আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এই বিষয়টি নিয়ে তাতে কিছুটা হলেও জল পড়লো বলে মত রাজনৈতিকমহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!