এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > অনুব্রত-গড়ে তৃণমূল নেতার ভয়ংকর মৃত্যুর জেরে প্রশাসনিক মহলে বড় পদক্ষেপ

অনুব্রত-গড়ে তৃণমূল নেতার ভয়ংকর মৃত্যুর জেরে প্রশাসনিক মহলে বড় পদক্ষেপ

এককালে বিরোধীদের ওপর সন্ত্রাসের ঘটনায় দায়ী করা হতো বীরভূম জেলা তৃণমূলকে। কিন্তু গত রবিবার দুপুরে সেই বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের তৃণমূল সভাপতি দীপক ঘোষের মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। পুলিশ সূত্রে খবর, গত রবিবার দুপুরে একটি ফুটবল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়ে কেন্দ্রগড়িয়ায় যাচ্ছিলেন এই দীপক ঘোষ। বাইক চালিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎই হিংলো নদীর পাশে ইটভাটার কাছে দুটি মোটরবাইকে থাকা তিন দুষ্কৃতী সেই দীপক ঘোষকে কেন্দ্র করে গুলি ছোড়ে। আর এরপরই সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন দীপক ঘোষ ও তার সঙ্গী ভোলা ঘোষ। কোনক্রমে সেই স্থান থেকে ভোলা ঘোষ পালিয়ে গেলেও ধারালো অস্ত্রের কোপ দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয় সেই দীপক ঘোষকে। পরে ভোলা ঘোষের চিৎকারে এলাকাবাসী উপস্থিত হলে চম্পট দেয় সেই দুষ্কৃতীরা। আর এরপরই হাসপাতালে ভর্তি হলেও গত সোমবার মৃত্যু হয় খয়রাশোলের এই তৃণমূল ব্লক সভাপতির।

এদিকে কাকা দীপক ঘোষের মৃত্যুতে শোকাহত ভাইপো বিশ্বজিৎ ঘোষ স্থানীয় ওসি পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়ের দিকেই সমস্ত অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। কিন্তু কেন? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত 29 শে জুলাই বাবুইজোড় গার্মের এক জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় কাকড়তলার ওসি পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়ের উর্দি খুলে নেওয়ার হুমকি দেন নিহত খয়রাশোল ব্লকের তৃণমূল সভাপতি দীপক ঘোষ। আর তারই বদলা নিতে বিজেপির সাথে হাত মিলিয়ে এই পার্থসারথি মুখোপাধ্যায় তার কাকাকে খুন করেছে বলে অভিযোগ বিশ্বজিৎ ঘোষের। এদিকে শাসকদলের নেতা এইভাবে খুন হওয়ায় কাকড়তলা থেকে সরিয়ে এই পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বোলপুর থানায়। আর এইখানেই প্রবল জল্পনা ছড়িয়েছে যে, তাহলে কি নিহত তৃণমূল নেতা দীপক ঘোষের ভাইপো বিশ্বজিৎ ঘোষের বক্তব্যকেই সিলমোহর দিয়ে সেই কাঁকরতলা থানা থেকে পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিল রাজ্য প্রশাসন?

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

অন্যদিকে দলীয় নেতা খুনের ঘটনায় ফের বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এদিন তিনি বলেন, “ঝাড়খন্ড থেকে দুষ্কৃতীরা এসে আমাদের দলীয় নেতাকে পাঁচটি গুলি করেছে। বিজেপি লাভপুরের কর্মীর আত্মহত্যাকে তুলে ধরে আমাদের কর্মীর মৃত্যুকে যতই ঢাকতে চান না কেন! আমরা কাউকেই ছাড়বো না।” সব মিলিয়ে এখন বীরভূমের তৃণমূল নেতা খুনে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!