এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > অনুব্রত গড়ে ‘পৌরসভায় নতুন কমিটি’ গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ দেখালো স্থানীয় বাসিন্দারা

অনুব্রত গড়ে ‘পৌরসভায় নতুন কমিটি’ গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ দেখালো স্থানীয় বাসিন্দারা

অনুব্রত মন্তলের বীরভূম আবার উত্তপ্ত পৌরসভার নতুন কমিটি গঠনের দাবীর জেরে। বিক্ষোভে সরব সিউড়ি ১৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। চেয়ারম্যানের তৈরি করা কমিটিকে চোর কমিটির তকমা লাগিয়ে ওই কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করার দাবী নিয়ে এদিন বিক্ষোভ আন্দোলন করলেন তাঁরা সিউড়ি পৌরসভার সামনে। শুধু তাই নয়,পৌরপ্রধানের কার্যালয়কে তালাবন্ধও করে রাখেন তাঁরা। অভিযোগে তাঁরা জানান যে শুধুমাত্র নিজেদের আত্মীয় ও ঘনিষ্টদের নিয়ে তৈরি পৌরপ্রধান তৈরি করেছেন ওই কমিটি।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

অভি্যোগকারীদের কথা মন দিয়ে শোনেন ওখানে উপস্থিত থাকা উপপৌরপ্রধান বিদ্যাসাগর সাউ। তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সাফাই গেয়ে বলেন যে বেশ কিছুদিন আগে ১৪ নং ওয়ার্ডে তাঁদেরই এক তৃণমূলকর্মী বাবলু দাস আত্মহত্যা করেন। তারপর থেকেই গত কয়েকমাস ধরে ওই ওয়ার্ডের উন্নয়ন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়েছেন পৌরপ্রধান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়। পরে তিনি ওই ওয়ার্ডের কথা ভেবেই ১৪ জনের একটি কমিটি তৈরি করেন তিনি। একথা জানানোর পর তিনি এটা বলেও আশ্বস্ত করলেন যে এলাকাবাসীর অভিযোগে কথা তিনি পৌরপ্রধানকে জানাবেন।

উপপৌরপ্রধানের সাফাই শুনে বিক্ষোভ তীব্র হয় ওয়ার্ডবাসীদের ভিতর। তাঁরা জানান, বাবলু দাস মারা যাওয়ার আগেই নাকি বাড়ি প্রকল্পের আওতাভুক্ত ২০০ জনের তালিকা নাকি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিলো পৌরসভায়। তবুও সেবিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি পৌরপ্রধানকে। এছাড়া এছাড়া ওয়ার্ডের BPL তালিকাভুক্তরাও নাকি তাঁদের ঠিকঠাক সুবিধা পাচ্ছেন না। বিধবা ভাতাও নাকি বাকি পড়ে আছে অনেক। অভিযোগ বিশ্লেষণে তাঁরা জানান যে, প্রাথমিকভাবে ২০ জনের বাড়ি টাকা এলেও, এমন কিছু লোকও টাকা পেয়েছেন যাদের আগেই বাড়ি ছিল। আবার কেউ জানান, দ্বিতীয় বারে অনেক তালিকাভুক্ত বাসিন্দাদের টাকাই আসেনি। একজন আবার অভিযোগের সুর চড়া করে জানান যে, তাঁর এলাকায় বহিরাগত ভাড়াটেরা টাকা পেলেও জুটছে না তাঁর কপালেই। এসব অভিযোগের জেরে এদিন বিক্ষোভ চরমে ওঠে সিউড়ি পৌরসভার সামনে। প্রচুর মহিলারাও এই দলে ছিলেন। বিক্ষোভ শেষে তাঁরা ওখানেই ধর্নায় বসেন তাঁরা।

বিক্ষোভ দেখে উপপৌরপ্রধান তাঁদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি এটাও জানান যে তালিকা অনুযায়ী তাঁদের বাড়ির জন্য বরাদ্দ টাকা দফায় দফায় ঠিক আসবে। ২০১৭ সালের শুরু হয়ে বাড়িপ্রকল্পের কাজ চলবে ২০২২ সাল অব্দি। এলাকায় একটাও কাঁচা বাড়ি থাকবে না বলেও বিক্ষোভকারীদের ভরসা যোগান তিনি। তাঁর কথা শুনে প্রাথমিকভাবে তাঁদের বিক্ষেভ ঠান্ডা হয়ে গেলেও পরে যে আবার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হবে না একথা বলা যাচ্ছে। এ নিয়ে তুমুল চাপানউতোর চলছে তৃণমূলের অন্দরে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!