এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > অনুব্রত-গড়ে তৃণমূল হেভিওয়েট নেতাকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার দলেরই দুই কর্মী

অনুব্রত-গড়ে তৃণমূল হেভিওয়েট নেতাকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার দলেরই দুই কর্মী

এ যেন রাজপ্রাসাদে ঢুকে রাজকর্মচারীদের ওপর আক্রমন। হ্যাঁ, ঘটনাটি ঠিক এরকমই। কারন যার ভয়ে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খায় সেই তৃনমূলের দাপুটে নেতা তথা বীরভূমের তৃনমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের গড়েই এবার এক তৃনমূল নেতাকে মারধরের ঘটনায়  চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। জানা গেছে, সম্প্রতি সাঁইথিয়ার বাগডাঙার দলীয় কার্যালয় থেকে নিজের বাড়ি শাউলডিহিতে ফেরা সময় মুখে গামছা বাধি দুই দুস্কৃতী মোটরবাইক থেকে নামিয়ে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে তৃনমূলের বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সাধন মুখোপাধ্যায়কে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা সেই সাধনবাবুকে উদ্ধার করে সাইথিয়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে তাঁর হাতে ও মাথায় সাতটি সেলাই পড়ে। এখানেই অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন যে, এলাকায় বিরোধী বলে তো কেউই নেই! তাহলে কে ঘটাল এই ঘটনা। জানা গেছে,দলের ব্লক সভাপতি সাবের আলি খান বনাম সাধন মুখোপাধ্যায়ের বিবাদ দীর্ঘদিনের। বিরোধ এমন জায়গায় পৌছোয় যে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে এই ব্লকের 12 টি পঞ্চায়েতের মধ্যে সাইথিয়া বিধানসভার  6 টি আসনে তিনটি তিনটি করে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় দুই নেতাকে। আর এরপর বিরোধ আরও চরমে ওঠে যখন একে অন্যের এলাকায় প্রভাব খাটাতে যান। আর এরফলেই দলেরই অপর গোষ্টী সাধন মুখোপাধ্যায়ের ওপর এমন হামলা চালিয়েছে এই অভিযোগ এনে দুস্কৃতিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বাগডাঙাতে সকাল 6 টা থেকে সন্ধ্যা 6 টা পর্যন্ত বনধের ডাক দেন সাধন মুখোপাধ্যায়ের অনুগামীরা।

 

এদিকে সেই বনধকে ব্যার্থ করতে বিরোধী সাবের আলির গোষ্টীর লোকেরা রাস্তায় নামলে দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় হাতাহাতি। এই ঘটনায় দুগোষ্টীরই 14 জনের বিরুদ্ধে আভিযোগ জমা পড়লেও গ্রেফতার করা হয় 4 জনকে। পুলিশ সূত্রের খবর, সাধন মুখোপাধ্যায়কে হামলার ঘটনায় তাঁরা বৃহস্পতিবার রাতেই বাগডোলা ও তিলপুকুর গ্রামের দুই তৃনমূল কর্মী পূর্নচন্দ্র দাস ও হাসিবুলকে গ্রেপ্তার করেছেন।এদিকে এদিনই ধৃতদের সিউড়ি আদালতে তোলা হলে তাঁদের 4 দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তবে গোষ্টীদ্বন্দ্বের ব্যাপারটিকে মানতে চাননি সাধন মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ধৃতেরা নিজেরা তৃনমূল কর্মী বলে নিজেদের দাবি করলেও এরা প্রত্যেকেই দুস্কৃতি।” একই কথা বলেছেন বিরোধী গোষ্টীর সাবের আলি খানও। সব মিলিয়ে তৃনমূল নেতাকে মারধরের ঘটনায় উত্তপ্ত বীরভূমের সাঁইথিয়া।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!