এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > মুর্শিদাবাদের হেভিওয়েট কংগ্রেস বিধায়ক এবার তৃণমূলে? জল্পনা বাড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী

মুর্শিদাবাদের হেভিওয়েট কংগ্রেস বিধায়ক এবার তৃণমূলে? জল্পনা বাড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মুর্শিদাবাদ জেলার দায়িত্ত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েই সেখানে নিজস্ব কায়দায় ক্রমশ ফুল ফোটাচ্ছেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রাণভোমরা তথা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুর্শিদাবাদ জেলা বরাবরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর গড় বলে পরিচিত, আর বাকি রাজ্যে অন্য ছবি হলেও এখানে প্রধান বিরোধী দলের নাম বামফ্রন্ট। তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলায় মোটামুটি কোনোরকমে তৃতীয় স্থানে থাকে। আর তাই এই জেলায় ঘাসফুলের দাপট বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী এক ঘরোয়া সভায় পরিবহন মন্ত্রীকে বলেন, এখানে একবার ‘মেদিনীপুর মডেল’ চালিয়ে দেখা যায় না? যা শুনে এক কথায় সব দায়িত্ত্ব কাঁধে তুলে নেন শুভেন্দুবাবু। প্রথমে চার-চারটি বিধানসভা আসন, পরে একে একে অসংখ্য গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি আর জেলা পরিষদ নিয়ে আসেন ঘাসফুলের দখলে।

আর এবার জল্পনা বাড়িয়ে কংগ্রেসের এক হেভিওয়েট বিধায়ককে নিয়ে আসতে চলেছেন ঘাসফুল শিবিরে। বিধানসভার নিজের বক্তব্য রাখার সময় হঠাৎ করেই শুভেন্দুবাবু কন্গ্রেসের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামিদিনে কান্দিতে কংগ্রেসের সর্বনাশ করতে যাচ্ছি আমি। আর এরপরেই তুমুল হয় জল্পনা, তাহলে কি কান্দির কংগ্রেস বিধায়ক অপূর্ব সরকার এবার তৃণমূল কংগ্রেসে নাম লেখাতে চলেছেন? খোঁজ নিয়ে দেখা যায় জল্পনার পিছনে যথেষ্ট কারণ আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কংগ্রেস নেতার সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ অপূর্ব সরকারের। ফলে তিনি নাকি দল ছাড়ার জন্য পা বাড়িয়েই ছিলেন, কিন্তু কিছু রাজনৈতিক কারণে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় নি। তবে সূত্রের খবর, দু-একদিনের মধ্যেই দল ছাড়তে পারেন তিনি আর তারপরেই নাকি শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন তিনি। তবে এই নিয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি কান্দির কংগ্রেস বিধায়ক অপূর্ব সরকার নিজে, বা শাসকদলের তরফ থেকেও এই নিয়ে কোনো সরকারি বার্তা প্রকাশ করা হয় নি। ফলে আপাতত অপূর্ববাবুর তৃণমূলে যোগদান জল্পনার স্তরেই রায়ে গেছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!